logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ৭ ফাল্গুন ১৪২৬

আ.লীগের নেতাকর্মীদের আন্দোলনে আটক ইউপি সদস্যকে ছাড়তে বাধ্য হলো পুলিশ

সিলেট প্রতিনিধি, আরটিভি অনলাইন
|  ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৯:৫১
আ.লীগের নেতাকর্মীদের আন্দোলনে আটক ইউপি সদস্যকে ছাড়তে বাধ্য হলো পুলিশ
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় জলমহালকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হওয়ার জন্য উপজেলার উত্তর কুশিয়ারা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল কাইয়ুমকে মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে গ্রেপ্তার করে ফেঞ্চুগঞ্জ থানা পুলিশ। তবে ঘটনার পরপর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ মিছিল, সড়ক অবরোধসহ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। 

ফেঞ্চুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল বাসার মোহাম্মদ বদরুজ্জামান জানান, ফেঞ্চুগঞ্জ থানা ও বালাগঞ্জ থানার যৌথ অংশে ধুপড়িয়া বিলের অবস্থান। এই বিল নিয়ে দুই গ্রামের মানুষের মধ্য উত্তেজনা দেখা দেয়ে। এই উত্তেজনা সামাল দেয়ার জন্য আব্দুল কাইয়ুমকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

গ্রেপ্তারের পর মঙ্গলবার গভীর রাতে আব্দুল কাইয়ুমের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে উপজেলা ছাত্রলীগ। এছাড়া পরদিন বুধবার সকাল থেকেও উত্তর কুশিয়ারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা আব্দুল কাইয়ুমের মুক্তির দাবিতে ফেরিঘাট-ইলাশপুর এলাকায় বিক্ষোভ করে। একপর্যায়ে  আন্দোলনের জন্য আব্দুল কাইয়ুমকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় পুলিশ। 

ফেঞ্চুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল বাসার মোহাম্মদ বদরুজ্জামান জানান আরটিভি অনলাইনকে জানান, দুই গ্রামের মধ্য মারামারি যাতে না হয় সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ আব্দুল কাইয়ুমকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনার পর আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা আব্দুল কাইয়ুমের মুক্তির দাবিতে আন্দোলন করলে আমরা ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত আলির জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেই। 

তিনি আরও বলেন, আব্দুল কাইয়ুমের বিরুদ্ধে ধুপড়িয়া বিল জলমহাল নিয়ে কোর্টে চাঁদাবাজির একটি মামলা রয়েছে যা ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বালাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তদন্ত করছেন। তার বিরুদ্ধে এখনো তদন্ত চলছে। 

অপরদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত আলী আরটিভি অনলাইনকে বলেন, জলমহাল নিয়ে সমস্যা আছে ঠিকই কিন্তু মারামারি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তারপরও একটি বৈঠক থেকে ইউপি সদস্য আব্দুল কাইয়ুমকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। এরপর সিলেট তিন আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী থানার ওসিকে ফোন দিলে ও আমরা উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতারা থানায় গেলে আমার জিম্মায় ইউপি সদস্য আব্দুল কাইয়ুমকে ছেড়ে দেয়ে পুলিশ। 

তবে যদি এর পর এলাকায় কোনও বড় ধরণের সংঘর্ষ হলে এর দায়িত্ব কে নিবে- এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনও কিছু বলেননি এই উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি। অপরদিকে সিলেট তিন আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি তাকে।

এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • দেশজুড়ে এর সর্বশেষ
  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়