logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০ আশ্বিন ১৪২৭

প্রচণ্ড শীতে চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

  কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি (উত্তর), আরটিভি অনলাইন

|  ১৪ জানুয়ারি ২০২০, ১১:৫৭ | আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০২০, ১২:২৪
প্রচণ্ড শীতে চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ
শীতে ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত কুড়িগ্রামের জনপদ। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টায় জেলার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মৃদু শৈত্য প্রবাহ কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে উত্তরের এই জেলায় শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে শ্রমজীবী সাধারণ মানুষ। ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠাণ্ডার কারণে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হচ্ছেন না কেউ। কনকনে শীতের কারণে কুড়িগ্রামের নদী তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের প্রায় ছয় লাখ মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে।

এদিকে, বিকেল থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকছে চারপাশ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য উঠলেও হিমেল ঠাণ্ডা হাওয়ায় রোদের মধ্যেও গরম কাপড় পরে চলাচল করছে মানুষ। সকালে বৃষ্টির মতো শিশির পড়ে। ফলে সকাল সকাল কাজে যোগ দেয়া মানুষ বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে।

এ বিষয়ে সোনাহাট স্থল বন্দরের পাথর ভাঙ্গা শ্রমিকরা জানান, তাদের সকাল ৭টায় বাড়ি থেকে বের হতে হয়। ঘন কুয়াশার কারণে তাদের বন্দরে আসতে অনেক কষ্ট হয়।
আবার নদী নির্ভর কর্মজীবী এবং মৎস্যজীবীরাও বিপাকে পড়েছে এই শীতে। চিলমারী থেকে রৌমারী নৌরুটের কর্মজীবীরা জানান, প্রচণ্ড শীতে তাদের আয় কমে গেছে। মানুষজন আর আগের মতো ঘাটে আসেনা।

নৌকা চালক হাফিজুর রহমান জানান, ঘন-কুয়াশার কারণে নৌকা চালাতে কষ্ট হয়। এছাড়া কিছু দেখা না যাওয়ায় ঘাটে পৌছতে অনেক সময় লাগে। বিশেষ করে সন্ধ্যা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত এই সমস্যা হয়।

কৃষি শ্রমিক করিম মিয়া বলেন, শীতের কারণে চলতি বোরো মৌসুমের কাজ এখনো শুরু হয়নি। ফলে বেকার দিন কাটাতে হচ্ছে তাদের। এদিকে, হাসপাতালগুলোতে দিনদিন বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগের তথ্যমতে এখন পর্যন্ত জেলায় শীতার্ত মানুষের জন্য ৬১ হাজার ৫১৪টি কম্বল উপজেলা পর্যায়ে বিতরণ করা হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান প্রধান জানান, চলতি বছর জেলায় ১ লাখ ১১ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এজন্য ৫ হাজার ৬৮৮ হেক্টর বীজতলার প্রয়োজন হলেও বীজতলা তৈরি করা হয়েছে প্রায় ৬ হাজার ৬০ হেক্টর জমিতে। এখন পর্যন্ত বোরো বীজতলা ও আলু চাষে কোনও ক্ষতি হয়নি।

এজে

RTVPLUS
bangal
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ৩৫৫৪৯৩ ২৬৫০৯২ ৫০৭২
বিশ্ব ৩,২১,৯৬,৬৫৫ ২,৩৭,৫১,১৩৪ ৯,৮৩,৬০৯
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • দেশজুড়ে এর সর্বশেষ
  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়