logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২০, ৪ মাঘ ১৪২৭

আমরা তোমাদের ভুলব না

পিরোজপুর প্রতিনিধি, আরটিভি অনলাইন
|  ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৪:০২
শহীদ পাক হানাদার বুদ্ধিজীবী
শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. আবুল খায়ের ও মুহাম্মদ ইয়াকুব মিয়া
আজ ১৪ ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। বাঙালি জাতির ইতিহাসে এটি বেদনাদায়ক দিন। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বাঙালির বিজয় নিশ্চিত জেনে প্রথিতযশা ও খ্যাতনামা বুদ্ধিজীবীদের নির্বিচারে হত্যা করে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার অপচেষ্টা চালায় পাক হানাদার বাহিনী।

এ বর্বর হত্যাকাণ্ড বিশ্বব্যাপী নিন্দিত। ১৪ ডিসেম্বর সারা জাতি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। তবে স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরেও জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের পরিবার পাননি তাদের প্রাপ্ত সম্মান। পিরোজপুরের কাউখালীর দুই কৃতি সন্তানের অবদানের কথা ভুলে গেছে নতুন প্রজন্ম।

বাঙালি জাতির  শ্রেষ্ঠ সন্তান কাউখালী উপজেলার দুই শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদ ড. আবুল খায়ের  ও শহীদ মুহাম্মদ ইয়াকুব মিয়া।

গোটা জাতি যাদের নিয়ে গর্ব করে সেই দুই কৃতি সন্তানের জন্ম পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায়। কাউখালী উপজেলার কাঁঠালিয়া গ্রামে শহীদ ড. আবুল খায়ের জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের রিডার ছিলেন। তিনি ছিলেন বাঙালি জাতির স্বাধীনতার একজন প্রবক্তা। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি দোসররা তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ার্টার থেকে ধরে নিয়ে রায়ের বাজারে বধ্যভূমিতে তাকে অত্যাচার করে হত্যা করে। চার জানুয়ারি তার লাশ উদ্ধার করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে সমাহিত করা হয়।

আরেক বুদ্ধিজীবী মুহাম্মদ ইয়াকুব মিয়া কাউখালী উপজেলার পার সাতুরিয়া গ্রামের মিয়া বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শেরে বাংলা এ,কে,এম ফজলুল হক গভর্নর থাকাকালে  তার একান্ত সচিব ছিলেন। ১৫ ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি দোসরেরা তাকে ঢাকার তোপখানার বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায়। পরে তাকে মোহাম্মদপুরের সাত গম্বুজ মসজিদের নিকট কাটাসুরের ইট খোলার নিকট হত্যা করে। ১৯ ডিসেম্বর তার লাশ পাওয়া যায়। পরে তাকে আজিমপুর কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

জেবি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • দেশজুড়ে এর সর্বশেষ
  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়