logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২০, ১৫ মাঘ ১৪২৭

ঝালকাঠিতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ২১

ঝালকাঠি প্রতিনিধি, আরটিভি অনলাইন
|  ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৫:৪৪ | আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৬:১১
হাসপাতাল সংঘর্ষ আহত
সংঘর্ষে আহত ব্যক্তি চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে
ঝালকাঠিতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ নেতা হুমায়ুন কবির খান ও যুবলীগ নেতা কামাল শরীফের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে এক পৌর কাউন্সিলর গুলিবিদ্ধসহ উভয়পক্ষের ২১ জন আহত হয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের পালবাড়ি ও ইছানীল এলাকায় দুই দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে ঝালকাঠি সদর ও বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনার জন্য একে অপরকে দায়ী করছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বৃহস্পতিবার ঝালকাঠি শহরের শিশু পার্কে জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে দু’পক্ষের লোকজনই অংশ নেয়। হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে মিছিল নিয়ে সম্মেলনে যোগ দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে কামাল শরীফের লোকজন রাব্বি নামে ইছানীল এলাকার এক যুবককে মারধর ও মোটরসাইকেল ভাংচুর করে। খবর পেয়ে হুমায়ুন কবিরের ভাইয়ের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক কামাল শরীফের লোকজনের ওপর হামলা করে। এতে কামাল শরীফের বাবা সালেক শরীফ, ভাই জামাল শরীফ, ইদ্রিস শরীফ, ইলিয়াছ শরীফ ও তাদের সমর্থকসহ ১২জন গুরুতর আহত হয়।

এদিকে দুপুরে সম্মেলন শেষে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে শহরের পালবাড়ি এলাকায় হুমায়ুন কবির খানের ছোট ভাই পৌর কাউন্সিলর শাহ আলম ফারসুর, কামাল শরীফ ও তার লোকজন হামলা চালায়। এসময় উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে গেলে কামাল শরীফ গুলি ছোড়ে। এতে পৌর কাউন্সিলর শাহ আলম ফারসু গুলিবিদ্ধ হন। পিটিয়ে আহত করা হয় হুমায়ুন কবির খানের ছেলে আরিদ খান, বাবুল হোসেন খান ও মিরাজ মৃধাসহ নয়জনকে।

ঝালকাঠি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খলিলুর রহমান বলেন, মারামারির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করেছে। এ ঘটনায় এখনো কোনও পক্ষ মামলা করেনি।

জেবি/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • দেশজুড়ে এর সর্বশেষ
  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়