logo
  • ঢাকা সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ১ পৌষ ১৪২৬

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’: আশ্রয়কেন্দ্রে নিতে মাঠে পুলিশ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি, আরটিভি অনলাইন
|  ০৯ নভেম্বর ২০১৯, ১৩:১৭ | আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০১৯, ২০:৩৫
ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’: আশ্রয়কেন্দ্রে নিতে মাঠে পুলিশ
ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’: আশ্রয়কেন্দ্রে নিতে মাঠে পুলিশ
ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে পায়রা সমুদ্রবন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সঙ্কেত দেখানো হয়েছে। তবে পটুয়াখালীর ঝুঁকিপূর্ণ অনেক এলাকাবাসী আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে চাচ্ছে না। তাদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিতে মাঠে নেমেছে পুলিশ।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মুনিবুর রহমান  জানান, জেলার কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়ন ও মহিপুরের নিজামপুর এলাকা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। জনপ্রতিনিধিরা বলার পরেও অনেকে নিজ উদ্যোগে আসছেন না তাই ওই সব এলাকার  পুলিশ সদস্যদের নিয়োগ করা হয়েছে। এলাকাবাসীদের আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে বাধ্য করা হবে।

কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত হোসেন জানান, লালুয়া ইউনিয়নে ২৫ হাজার লোকের বসবাস। বেড়িবাঁধ দুর্বল থাকায় এর মধ্যে বেশির ভাগ এলাকার মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। এদেরকে ইউনিয়ন পরিষদসহ অন্তত ১০টি আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে নিরাপদে আসার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, অতিপ্রবল এই ঘূর্ণিঝড় শনিবার সন্ধ্যা নাগাদ উপকূল অতিক্রম করতে পারে। ঘণ্টায় দেড়শ কিলোমিটার বেগের বাতাসের শক্তি নিয়ে ‘বুলবুল’ সুন্দরবন দিয়ে উপকূলে আঘাত হানতে পারে।

এদিকে ‘বুলবুল’র প্রভাবে আজ দুপুর পৌনে ১টা থেকে ভারী বৃষ্টিপাত এবং দমকা বাতাস শুরু হয়েছে এবং সাগর উত্তাল রয়েছে। নদী ও সাগরে মাছ ধরার অন্তত ৫ হাজার ফিশিং ট্রলার কুয়াকাটার মহিপুর-আলীপুর মৎস্য বন্দরে এবং রাঙ্গাবালীর চর মোন্তাজে নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে। পটুয়াখালী-ঢাকাসহ সকল রুটে নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পায়রা সমুদ্র বন্দরসহ জেলার সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ড স্থগিত রেখে শ্রমিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। লোকদের আশ্রয়ের জন্য ৪৩০টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলা পর্যায়সহ সকল উপজেলায় খোলা হয়েছে কন্টোল রুম এবং গঠন করা হয়েছে মেডিকেল টিম। 

পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক মতিউল ইসলাম চৌধুরী জানান, ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারিতে আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে উপকূলের লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা। যাতে মানুষ ও তাদের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কম হয়। সার্বিক পরিস্থিতি মনিটরিং করতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ উপজেলা পর্যায়ে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। দুর্যোগে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১শ মেট্রিকটন চাল, ২ লাখ ৭৫ হাজার নগদ টাকা, ১৬৬ বান্ডিল টিন এবং ৩ হাজার ৫০০টি কম্বল মজুত রাখা হয়েছে।  

এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • দেশজুড়ে এর সর্বশেষ
  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়