logo
  • ঢাকা শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

ছাত্রীদের ‘মামনি’ বলে যৌন নিপীড়ন করতেন মাদরাসা শিক্ষক, গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি, আরটিভি অনলাইন
|  ২৯ অক্টোবর ২০১৯, ১২:১৪ | আপডেট : ২৯ অক্টোবর ২০১৯, ১২:৪৯
গ্রেপ্তার শিক্ষক মাদরাসা
ছাত্রীদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গ্রেপ্তার মাদরাসা শিক্ষক ক্বারি শহীদুল ইসলাম
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি  মাদরাসার দুইজন তৃতীয়  শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক ক্বারি শহীদুল ইসলামকে (৪৮)  গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার রাতে ফতুল্লার কাশীপুর হোসাইনীনগর এলাকাস্থ ছাফীনাতুল উম্মাহ মহিলা মাদরাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করার পর গতকাল সোমবার বিকেলে মামলা দায়ের করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত শহীদুল ইসলাম নোয়াখালী জেলার হাতিয়া থানা সন্দ্বীপের কামাল উদ্দিনের ছেলে। তিনি ওই  মাদরাসার শিক্ষক  ও  পরিচালনার দায়িত্বেও রয়েছেন।

এলাকাবাসী ও যৌন নিপীড়নের শিকার ছাত্রীদের সূত্রে জানা গেছে, কাশিপুর ছাফীনাতুল উম্মাহ মহিলা মাদরাসার শিক্ষক ক্বারি শহীদুল ইসলাম সু-কৌশলে বিভিন্ন ক্লাসের ছাত্রীদের যৌন নিপীড়ন করেন। এমনকি অস্বাভাবিকভাবে মামনি বলে গায়ে হাত দিয়ে আদর করেন। শিশু বাচ্চারা অনেকে বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নিলেও উঠতি বয়সের মেয়েরা বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নিতে পারে না। তাই গেল রোববার কয়েকজন শিক্ষার্থী একত্রিত হয়ে তাদের অভিভাবকদের ঘটনাটি অবগত করে। পরে ছাত্রীদের অভিভাবকরা একত্রিত হয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান এম সাইফউল্লাহ বাদলের কাছে বিচার দেন। পরে ছাত্রীদের মুখ থেকে ঘটনার বিস্তারিত শোনার পর থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ স্থানীয় চেয়ারম্যান, ভুক্তভোগীসহ তাদের পরিবারের উপস্থিতিতে মাদরাসার কর্তৃপক্ষকে হাজির করে ঘটনার বিস্তারিত শুনে মাদরাসার শিক্ষক ক্বারি শহীদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় মাদরাসার মোহতামীম মাওলানা আব্দুল হক বাদী হয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

---------------------------------------------------------------
আরো পড়ুন: ভাবিকে দিয়ে ডেকে এনে চাচাতো বোনকে গণধর্ষণ
---------------------------------------------------------------

এলাকাবাসী আরও জানান, ২০১৪ সালে এই  মাদরাসার মোহতামীম আব্দুল হক ও অভিযুক্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামসহ আরও কয়েকজন মিলে মাদরাসাটি গড়ে তোলেন। নানা সমস্যার কারণে মাদরাসা হতে অন্য পার্টনাররা চলে যাওয়ার পর ক্বারি শহীদুল ইসলাম ও আব্দুল হক পার্টনারে মাদরাসাটি পরিচালনা করে আসছেন।

ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রবীর কুমার রায় মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শিশু যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদরাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জেবি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • দেশজুড়ে এর সর্বশেষ
  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়