logo
  • ঢাকা রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ১ পৌষ ১৪২৬

কিশোরীকে বিয়ে করে ধর্মান্তরিত প্রেম কুমার এখন কারাগারে

শেরপুর প্রতিনিধি, আরটিভি অনলাইন
|  ২৯ অক্টোবর ২০১৯, ১০:৫২ | আপডেট : ২৯ অক্টোবর ২০১৯, ১১:২২
কিশোর ধর্মান্তরিত প্র্রেম
ফাইল ছবি
ভালোবাসার টানে ধর্মান্তরিত হয়ে কিশোরীকে বিয়ে করে ফেঁসে গেছেন প্রেম কুমার নামে এক যুবক। তাকে আটক করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে ওই কিশোরীকে।

ঘটনাটি ঘটেছে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের মলমারি গ্রামে। প্রেম কুমার পাশের জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রাবাজ গ্রামের দিগন্ত কুমারের ছেলে।

এ ঘটনায় ১৩ বছর বয়সী মাদরাসাছাত্রী কিশোরীর মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২৮ অক্টোবর) মামলা করেছেন। পরে এদিনেই প্রেম কুমারকে আটক করেছে পুলিশ।                   

কিশোরীর মা জানান, তাদের বাড়ির পাশে প্রেম কুমারের নানার বাড়ি। আসা-যাওয়ার সুবাদে তার মেয়ের সঙ্গে ওই যুবকের পরিচয় হয়।

কিশোরীর মায়ের দাবি, সে আমার মেয়েকে জোরপূর্বক বিয়ে করেছে। এজন্য আমি ২৪ অক্টোবর প্রেম কুমার, তার বাবা, মামা ও মামাতো ভাইসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় অভিযোগ করি।

এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শ্রীবরদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন অভিযান চালিয়ে ওই যুবক ও কিশোরীকে দিগন্ত কুমারের বাড়ি থেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

প্রেম কুমার জানান, তার সঙ্গে ওই কিশোরীর মন দেওয়া-নেওয়া চলছিল। সে কারণেই ওই কিশোরী তার হাত ধরে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে। পরে প্রেম কুমার নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। বর্তমানে তার নাম আব্দুর রহমান। তিনি চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম বিএম কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র।

---------------------------------------------------------------
আরো পড়ুন: ভাবিকে দিয়ে ডেকে এনে চাচাতো বোনকে গণধর্ষণ
---------------------------------------------------------------

ওই কিশোরী ও প্রেম কুমার দাবি করেন, তারা একে অপরকে ভালোবাসেন। তারা নিজেদের সম্মতিতে বিয়ে করেছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শ্রীবরদী থানার এসআই আনোয়ার হোসেন বলেন, ওই কিশোরীকে শেরপুর আদালতে নিয়ে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হবে। সেইসঙ্গে জেলা সদর হাসপাতালে তার মেডিকেল পরীক্ষার পর বয়স নির্ধারণের জন্য জামালপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে প্রেম কুমারের সঙ্গে ঘর করবে বলে জানিয়েছে। সে তার বাবা-মায়ের সঙ্গে যেতে চায় না। তবে আদালতের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হবে সে কোথায় যাবে।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রুহুল আমিন তালুকদার জানান, ঘটনার তদন্ত এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জেবি/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • দেশজুড়ে এর সর্বশেষ
  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়