logo
  • ঢাকা রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯, ৪ কার্তিক ১৪২৬

‘রেনিটিডিন’র বিকল্প ওষুধে ক্রেতারা উপকৃত হবেন (ভিডিও)

আরটিভি রিপোর্ট
|  ০৬ অক্টোবর ২০১৯, ১২:১৬ | আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০১৯, ১২:৩০
ক্যান্সার সৃষ্টির উপাদান থাকতে পারে এমন আশংকায় বাজার থেকে ৩৮টি কোম্পানির ‘রেনিটিডিন’ জাতীয় ওষুধ তুলে নিতে বলেছে ওষুধ প্রশাসন। এতে ক্রেতারা তেমন সমস্যায় পড়বেন না বলে মনে করছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, এতে বরং ক্রেতারা উপকৃতই হবেন। কারণ, রেনিটিডিন’র বিকল্প আরো কম দামের ‘ফেমোটিডিন’ জাতীয় ওষুধ দিয়েও চিকিৎসা সম্ভব।

গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ তৈরির কাঁচামাল, রেনিটিডিনে ‘N-nitrosodimethylamine’ (NDMA) আছে। দীর্ঘদিন ব্যবহারে যা ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে আসায় নড়েচড়ে বসে ওষুধ প্রশাসন।

গেল বুধবার জারি করা গণবিজ্ঞপ্তিতে স্কয়ার, বেক্সিমকো, এসকেএফ, পপুলার, একমি, হেলথকেয়ার, ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল, গ্লোব, ইবনে সিনা, নাভানাসহ ৩৮টি কোম্পানিকে, তাদের রেনিটিডিন গ্রুপের সব ধরণের ওষুধের উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ রাখতে বলে। সেই সঙ্গে ৯ অক্টোবরের মধ্যে স্বপ্রণোদিত হয়ে বাজার থেকে নিজ নিজ ব্র্যান্ডের সব ওষুধ উঠিয়ে নিতে বলা হয়।

ওষুধ প্রশাসন বলছে, এই ৩৮টি কোম্পানির রেনিটিডিন গ্রুপের সব ওষুধ, ভারতের ‘সারাকা ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডে’র সরবরাহ করা কাঁচামালে তৈরি, যাতে ক্যান্সার সৃষ্টির উপাদান NDMA থাকতে পারে।

আমদানি করা কাঁচামালে ক্যান্সারের উপাদান সম্পর্কে ওষুধ প্রশাসন এখনও নিশ্চিত না হলেও জনস্বার্থে আগাম সতর্কতা হিসেবে ওষুধগুলো তুলে নিতে বলেছে।

এ বিষয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ উত্তম কুমার বড়ুয়া বলেন, রেনিটিডিন গ্রুপের ওষুধ একেবারে বন্ধ হয়ে গেলেও সমস্যা হবে না। কারণ একই গ্রুপের সমান ক্ষমতার তুলনামূলক কম দামের ‘ফেমোটিডিন’ গ্রুপের ওষুধ বাজারে আছে।

‘রেনিটিডিন’ গ্রুপের ওষুধ সরিয়ে নেয়ার সুযোগে ওমিপ্রাজল বা ইসোমিপ্রাজলের মত গ্যাস্ট্রিক আলসারের ওষুধের দাম বাড়িয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা যেন ফায়দা নিতে না পারেন সেদিকে কঠোর নজর রাখার কথাও জানালেন তিনি।

জিএ  

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়