logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬

স্ত্রী অন্যের ঘরে, শ্যালিকাকে অপহরণ করে দিনের পর দিন ধর্ষণ

পিরোজপুর প্রতিনিধি
|  ১৯ আগস্ট ২০১৯, ১০:৪৭ | আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০১৯, ১১:০৩
শ্যালিকা, অপহরণ, ফেরদৌস
দুই মাসের সন্তানকে ফেলে রেখে স্ত্রী অন্যের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ায় শ্যালিকাকে অপহরণ করে ধর্ষণ করেছে ফেরদৌস শেখ নামের এক ব্যক্তি।

পিরোজপুরের নাজিরপুরে এই ঘটনা ঘটে। অপহরণের পাঁচ মাস পর স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেইসঙ্গে দুলাভাই ফেরদৌস শেখকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে ফেরদৌস শেখসহ আটজনকে আসামি করে নাজিরপুর থানায় মামলা করেছেন। গেল শনিবার দুপুরে ওই ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পিরোজপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, নাজিরপুর উপজেলার উত্তর দীর্ঘা গ্রামের অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া ওই ছাত্রীকে চলতি বছরের ১২ মার্চ স্কুলে যাওয়ার পথে একই গ্রামের আক্কাস শেখের ছেলে ও ওই ছাত্রীর দুলাভাই ফেরদৌস শেখ ভুল বুঝিয়ে অপহরণ করে। অপহরণের পর ওই ছাত্রীকে বিভিন্ন স্থানে রেখে ধর্ষণ করে ফেরদৌস শেখ। 

---------------------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : পরীক্ষায় ফেল করানোর ভয় দেখিয়ে বারবার ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী
---------------------------------------------------------------------

এ অভিযোগে ওই ছাত্রীর বাবা শুক্রবার রাতে নাজিরপুর থানায় অপহরণ ও ধর্ষণের মামলা করেন। পুলিশ রাতেই ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার এবং অপহরণকারী ফেরদৌস শেখকে গ্রেপ্তার করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছয় বছর আগে ফেরদৌস শেখ ওই স্কুলছাত্রীর বড় বোন মাহমুদা আক্তার আঁখিকে বিয়ে করেন।

বিয়ের পর তাদের একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। ওই কন্যার বয়স যখন দুই মাস তখন তাকে ফেলে আঁখি অন্য এক ছেলের সঙ্গে পালিয়ে যান। পরে ওই ছেলেকেই বিয়ে করেন।

নাজিরপুর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জাকারিয়া জানান, শনিবার ওই স্কুলছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পিরোজপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপহরণকারী ফেরদৌস শেখকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে নেয়া হয়েছে।

জেবি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়