পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ দেখে অভিভূত মার্কিন রাষ্ট্রদূত

প্রকাশ | ০২ আগস্ট ২০১৯, ২০:১৩ | আপডেট: ০৩ আগস্ট ২০১৯, ১৮:৪৪

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ দেখে অভিভূত হয়ে প্রশংসা করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার। নির্মাণাধীন সেতুর কাজ পরিদর্শনকালে তিনি এ প্রশংসা করেন।

শুক্রবার গোপালগঞ্জ থেকে ফেরার পথে সকাল ১১টার দিকে মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি ঘাট থেকে সি-বোটে করে নির্মাণাধীন সেতুর কাজসহ মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড পরিদর্শন করেন রবার্ট মিলার। পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তার স্ত্রী মিশেল অ্যাডেলম্যানও ছিলেন। পরিদর্শন শেষে দুপুর দুইটার দিকে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন বলে আরটিভি অনলাইনকে নিশ্চিত করেছেন পদ্মা সেতুর প্রকৌশলী (মূল সেতু) দেওয়ান আব্দুল কাদের।

এ সময় পদ্মা সেতুর প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম, পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী (মূল সেতু) দেওয়ান আবদুল কাদের, সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর জীবন ও অবদান সম্পর্কে জানতে জাদুঘর পরিদর্শন করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার 

এর আগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ পরিদর্শন করেন এবং সেখানে পুস্পস্তবক অর্পণ ও এক মিনিট  নিরবতা পালন করে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। পরে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও অবদান সম্পর্কে জানতে তার পৈতৃক বাড়ি ও তৎসংলগ্ন জাদুঘর পরিদর্শন করেন।

এ সময় আর্ল রবার্ট মিলার উল্লেখ করেন, ইন্টারন্যাশনাল ভিজিটর লিডারশিপ প্রোগ্রামের (আইভিএলপি) অংশগ্রহণকারী হিসেবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন।

এরপর মার্কিন রাষ্ট্রদূত গোপালগঞ্জের বানিয়ারচর ক্যাথলিক চার্চ পরিদর্শন করেন। সেখানে ২০০১ সালের তিন জুন এক বোমা হামলায় ১০ জন নিহত ও অনেকে আহত হয়েছিল। রাষ্ট্রদূত চার্চ প্রাঙ্গণে নিহতদের সমাধি পরিদর্শন করেন।

বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত 

এলাকাবাসীর সঙ্গে আলাপকালে রাষ্ট্রদূত মিলার রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সোচ্চার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।

এ সময় তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ বাংলাদেশিদের প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন।

রবার্ট মিলার গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারিন্টেনডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাত করেন। তারা জেলার রাজনৈতিক গুরুত্ব এবং স্থানীয় কৃষি ও উৎপাদনখাতের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

পি