logo
  • ঢাকা বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ১ বৈশাখ ১৪২৮

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি (ভিডিও)

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত ধরলা নদীর পানি বেড়ে বিপদসীমার ৭৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী পয়েন্টে পানি বেড়ে বিপদসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া বাড়ছে দুধকুমার, গংগাধর, সংকোষ নদীর পানি।

বন্যার পানি কমতে না কমতেই আবারো নতুন করে বাড়তে শুরু করায় দীর্ঘ মেয়াদী বন্যার আশঙ্কা করছেন জেলাবাসী।

এদিকে বৃষ্টির ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। প্রকট হচ্ছে বানভাসি মানুষের জীবন। শুরু হয়েছে পানিবাহিত নানা রোগ। দেখা দিয়েছে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানিসহ গবাদি পশুর খাদ্য সংকট।

জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার রঘুরভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, মানুষ গাদাগাদি করে সেখানে অবস্থান নিচ্ছেন। তারা জানান, দিনে একবেলা খেয়ে কোনমতে দিন পার করছেন।

ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আকমল হোসেন জানান, ১৫ দিন থেকে তারা স্কুলটিতে অবস্থান নিয়েছেন। নিদারুণ কষ্টে দিন পার করছে তারা।

---------------------------------------------------------------------

আরও পড়ুন : লালমনিরহাটে নদী থেকে দুই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

---------------------------------------------------------------------

এদিকে গংগাধর নদীর ভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়েছেন তারা। সরকারি সামান্য সহযোগিতা যেটা এসেছিল তা বিতরণ করা হয়েছে। সেটা প্রয়োজনের তুলনায় কম।

টানা দু’সপ্তাহের বন্যায় জেলার ৯টি উপজেলার ৬০ ইউনিয়নের ৯ লাখ ৫৮ হাজার ৩২৮ জন মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। প্রায় ২০ হাজার হেক্টর ফসলি জমিন পানিতে ডুবে নষ্ট হয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখার তথ্য অনুযায়ী, জেলার ৯টি উপজেলার বন্যাকবলিত ৯ লাখ ৫৮ হাজার ৩২৮ জন মানুষের জন্য সরকারিভাবে ১ হাজার মেট্রিক টন চাল, ৭ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার ও ১৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম জানান, বৃষ্টির কারণে ধরলা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বাড়বে কিছুটা। শুক্রবার থেকে পানি আবারও কমতে শুরু করবে। তবে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা নেই।

এসএস

RTV Drama
RTVPLUS