logo
  • ঢাকা সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বৃদ্ধি, শেরপুর-জামালপুর সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

স্টাফ রিপোর্টার, শেরপুর:
|  ২০ জুলাই ২০১৯, ১৪:৫৪
বন্যা
ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বৃদ্ধি, শেরপুর-জামালপুর সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
উজান থেকে প্রবল বেগে নেমে আসা ঢলের কারণে পুরনো ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় শেরপুর সদর উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ৪৫টি গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ১০ হাজার পরিবার। কাঁচা ঘর-বাড়ি, রাস্তাঘাট, রোপা আমন ধানের বীজতলা, সবজি, শতাধিক পুকুরের মাছ পানিতে ভেসে গেছে। 

bestelectronics
শেরপুর-জামালপুর সড়কের পোড়ার দোকান এলাকার কজওয়েটি ছয় থেকে সাত ফুট পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় গতকাল শুক্রবার থেকে শেরপুর-ঢাকা এবং উত্তরবঙ্গের সঙ্গে এ পথে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বন্যার পানিতে ডুবে এ পর্যন্ত ৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। 

অপরদিকে ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই ও চেল্লাখালী নদীর পানি কমে যাওয়ায় ওই দুই উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ৪৫টি গ্রামের প্রায় দশ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। বিশেষ করে গৃহপালিত পশু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন তার। বাড়িতে পানি উঠায় চুলা জ্বালাতে পারছেন না প্লাবিত এলাকার মানুষ।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি উঠায় জেলার ৪২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। জেলায় ত্রাণ তৎপরতা অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন বানভাসি মানুষ। 

এ পর্যন্ত জেলার দুর্গতদের মধ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩৫ মেট্রিক টন চাল দেয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনও চিকিৎসা সেবা ও আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়নি। শেরপুর- জামালপুর সড়কের ব্রহ্মপুত্র বীজ পয়েন্টে পানি বিপদসীমার দশমিক ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

শেরপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পিকন কুমার সাহা জানান, উজান থেকে নেমে আসা পানিতে সৃষ্ট বন্যায় উপজেলার ১৫ হাজার ১শ’ কৃষকের রোপা আমন বীজতলা, আউশ ধানের ক্ষেত, সবজি ও পাটের আবাদকৃত এক হাজার তিনশত ত্রিশ হেক্টর জমি বন্যার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে।

এসএস 

bestelectronics bestelectronics
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়