logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

লালমনিরহাটে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

স্টাফ রিপোর্টার, লালমনিরহাট
|  ১২ জুলাই ২০১৯, ১০:৩৪
পানি, বন্যা, পাহাড়ি
লালমনিরহাটে পানিবন্দি দুর্গত মানুষ
অবিরাম বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা-ধরলাসহ সব নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় লালমনিরহাটে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।

শুক্রবার সকাল নয়টায় তিস্তা ব্যারাজ দোয়ানী পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে নতুন নতুন গ্রামসহ পানিবন্দি রয়েছে পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা, চরদহগ্রাম, হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, সির্ন্দুনা, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ী, কালীগঞ্জ উপজেলার-পশ্চিম কাশিরাম, চর বৈরাতী, নোহালী, শৈলমারী, ভোটমারী, হাজিরহাট, আমিনগঞ্জ, কাঞ্চনশ্বর ও রুদ্ধেশ্বর, আদিতমারী উপজেলার চণ্ডিমারী, দক্ষিণ বালাপাড়া, আরাজি শালপাড়া, চরগোর্দ্ধন ও সদর উপজেলার কালমাটি, খুনিয়াগাছা, রাজপুর, তিস্তা, তাজপুর, গোকুণ্ডা, মোগলহাট, বনগ্রামসহ নদীর তীরবর্তী ৩০ গ্রামের প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ।

 স্থানীয় প্রশাসন ত্রাণ তৎপরতা শুরু করলেও বন্যার্তরা জানিয়েছেন তা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল। ফলে নদী তীরবর্তী এলাকার পানিবন্দি মানুষজন পরিবার-পরিজন এবং গৃহপালিত পশু নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। এসব মানুষের রাত কাটছে নির্ঘুম। এছাড়াও খাদ্যাভাব, বিশুদ্ধ পানি এবং নানা সঙ্কটে রয়েছে তারা। বন্যাদুর্গত এলাকার ফসলি জমি, রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে তাদের। পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সার্বক্ষণিক তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে রেখেছে পাউবো।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবোর) দোয়ানী ডালিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, শুক্রবার সকাল নয়টা থেকে  তিস্তা ব্যারাজ দোয়ানী পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যারাজের সবগুলো গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির মনিটরিং করা হচ্ছে।

জেবি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়