বিস্কুট খেতে চাওয়ায় শিশুর শরীরে ছ্যাঁকা

প্রকাশ | ০২ জুলাই ২০১৯, ১৮:৫৭ | আপডেট: ০২ জুলাই ২০১৯, ১৯:১০

স্টাফ রিপোর্টার, পটুয়াখালী

বিস্কুট খেতে চাওয়ায় এবার পটুয়াখালীতে রিংকি নামে সাত বছরের এক শিশু কন্যাকে শরীরের একাধিক স্থানে গরম ছ্যাঁকা  দিয়ে নির্মম নির্যাতন করেছে গৃহকর্ত্রী ঝুমুর বেগম। 

সোমবার (১ জুলাই) বিকেলে শহরের সবুজবাগস্থ ঝুমুরের ভাড়াটিয়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে শিশু রিংকিকে উদ্ধার করে এবং নির্যাতনকারী গৃহকর্ত্রী ঝুমুর বেগমকে গ্রেপ্তার করেন। পরে আজ মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। 

এ ঘটনায় রিংকির মা সালমা বেগম বাদী হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি মামলা করেছেন।

জানা যায়, সালমা বেগম নিজ বাড়ি খুলনা জেলা বাটিয়াঘাটায়। তিনি পটুয়াখালীর নিষিদ্ধ পল্লীতে বসবাস করেন। কিন্তু সালমা তার শিশু কন্যাকে পতিতা পল্লীর বাইরে সবুজবাগ এলাকার  ঝুমুর বেগমের বাসায় রেখে প্রাইভেট স্কুলে লেখাপড়া করাচ্ছেন এবং ওই বাসার মালিক ঝুমুর বেগমকে মেয়ের খরচ বাবদ প্রতিমাসে ৯ হাজার টাকা দিতেন। 

সোমবার বিকেলে গৃহকর্ত্রী ঝুমুরের কাছে বিস্কুট খেতে চায় শিশু রিংকি। এতে ঝুমুর ক্ষিপ্ত হয়ে রিংকি’র শরীরের একাধিক স্থানে গরম লোহার ছ্যাঁকা দেন এবং বেদম মারধর করেন। পরে শুভাকাঙ্ক্ষীর মাধ্যমে খবর পেয়ে সালমা ওই বাসায় গিয়ে তার মেয়ের এ অবস্থা দেখে সদর থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয় এবং নির্যাতনকারী ঝুমুরকে গ্রেপ্তার করেন। 

এ ব্যাপারে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, শিশুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং সেখান থেকে পরে ম্যাজিস্ট্রেট শিশুটির জবানবন্দি গ্রহণ করবেন। এছাড়া নির্যাতনকারী ঝুমুর বেগমকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

এসএস