logo
  • ঢাকা রবিবার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

ধসে যাওয়া রাস্তাটি ২০ ঘণ্টায়ও মেরামত হয়নি

লালমনিরহাট প্রতিনিধি
|  ২৯ জুন ২০১৯, ১৯:২২ | আপডেট : ২৯ জুন ২০১৯, ২০:০৪
ধসে যাওয়া রাস্তা
প্রবল পানির চাপে সড়কটি ভেঙে নদীতে চলে গেছে, ছবি: আরটিভি অনলাইন
টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে লালমনিরহাটে তিস্তা-ধরলাসহ বিভিন্ন নদনদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে পানির প্রবল স্রোতে বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে ভাঙন।

বিশেষ করে গেল বুধবার সকালে সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের ওয়াপদা বাজার এলাকায় ধসে যাওয়া রাস্তাটি এখনও মেরামত করা সম্ভব হয়নি। এতে একটি গ্রামের প্রায় শতাধিক পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ধরলার স্রোতে কুলাঘাট ইউপির ওয়াপদাবাজার এলাকার ৩০ মিটার পাকা সড়ক নদীগর্ভে চলে গেলে দীর্ঘ ২০ ঘণ্টায়য়ও সড়কটি মেরামত করা সম্ভব হয়নি।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ শিবের কুঠি গ্রামের ওই স্থানে একটি কালভার্ট ছিল। পাকা করার সময় সেটি সড়কটির নিচে পড়ে বন্ধ হয়ে যায়। এ কারণে কালভার্টটি দিয়ে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে যায়। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ধরলা নদীর পানি বেড়ে যায়। এই পানি বের হতে না পেরে তার চাপ পড়ে সড়কটিতে। একপর্যায়ে বুধবার সড়কটির অন্তত ৩০ মিটার অংশ ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

চর শিবের কুঠি গ্রামের কৃষক মনিরুদ্দিন, গফুর মিয়া ও আলতাফ হোসেন বলেন, এমনিতেই এখন বর্ষাকাল। চলাচলের অনেক সমস্যা। তার ওপর রাস্তার কিছু অংশ নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় আমরা দুর্ভোগে পড়েছি। সড়কটি দ্রুত মেরামত করা না হলে আমাদের আয়-উপার্জনের জন্য গ্রামের লোকজন কোথাও যেতে পারবে না।

কুলাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইদ্রিস আলী বলেন, গেল কয়েকদিনের লাগাতার বৃষ্টি ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ধরলা নদীর পানি বেড়ে গেছে। প্রবল পানির চাপে সড়কটি ভেঙে নদীতে চলে গেছে।

বিষয়টি জেলা প্রশাসনসহ অন্যান্য দপ্তর জানার পর গেল বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রাস্তাটি মেরামতের কাজ চলছে। তবে মেরামত কাজ শেষ হতে ৪-৫ দিন সময় লাগতে পারে বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে সওজের লালমনিরহাট কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আলী নুরায়েন বলেন, সড়কটি এই মুহূর্তে স্থায়ীভাবে পুনঃনির্মাণ করা সম্ভব নয়।  তবে চলাচলের জন্য অস্থায়ী ব্যবস্থা হিসেবে সড়কটির দুই পাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে সেখানে বালুভর্তি বস্তা ফেলা হচ্ছে। এ কাজ করতে কয়েকদিন সময় লাগবে।

জেবি/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়