logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ৬ কার্তিক ১৪২৬

বন্ধুর মেয়েকে তিনবছর ধরে ধর্ষণ!

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি (উত্তর)
|  ১২ জুন ২০১৯, ২১:০৮
কুড়িগ্রামের কচাকাটায় বন্ধুর মেয়ে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে নিজের লালসার শিকার বানিয়েছে আরেক বন্ধু। ভিকটিম মেয়েটি জানিয়েছে যখন সে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী তখন বাবার ওই বন্ধু তার শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে নিয়ে গিয়ে প্রথম ধর্ষণ করেন। পরে তিনবছর ধরে অসংখ্যবার তাকে ধর্ষণ করেছে তিনি। 

বুধবার সকাল ৯টায় ঘটনাটি জনসম্মুখে নিয়ে আসে ওই ধর্ষকেরই স্ত্রী। এদিকে অভিযোগ উঠেছে ধর্ষক প্রভাবশালী হওয়ায় ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে উঠেপড়ে লেগেছে একটি মহল। 

ঘটনাটি ঘটেছে জেলার কচাকাটা থানার বলদিয়া ইউনিয়নের পূর্বকেদার গ্রামে। ওই গ্রামের কুদ্দুস প্রধানীর ছেলে দুই সন্তানের জনক মকবুল হোসেন প্রধানী (৪৫) তিন বছর ধরে তার বন্ধু  মেয়েকে (১৪) ধর্ষণ করে আসছে। 

ভিকটিম ওই শিক্ষার্থী জানান, বাবার বন্ধু হওয়ায় মকবুল তাদের বাড়িতে যাতায়াত করতো এবং প্রতিবেশী হওয়ায় ভিকটিমও মকবুলের বাড়িতে যাতায়াত করত। যাতায়াত সূত্রে মকবুলের স্ত্রী মুক্তার সঙ্গে তার সখ্যতা গড়ে উঠে। 

সে আরও জানায়, বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময় মকবুল এবং তার স্ত্রী মুক্তা বেগমের সঙ্গে নাগেশ্বরী উপজেলার শাপখাওয়া গ্রামে তার (মুক্তার) বাপের বাড়িতে বেড়াতে যায়। সেখানে একটি ঘরে মকবুল এবং ভিকটিমকে রেখে মকবুলের স্ত্রী মুক্তা বাইরে থেকে ঘরের দরজা আটকিয়ে দিয়ে চলে যায়। সেখানেই মকবুল তাকে জোড় করে ধর্ষণ করে। পরে কান্নাকাটি করলে মকবুল তাকে বিয়ের প্রলোভন দেয় এবং পরে কুড়িগ্রাম নিয়ে গিয়ে তাকে মৌখিক বিয়ে করেন। 

কচাকাটা থানার ওসি (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে সবার সাথে কথা বলেছি, এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেনি, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়