ফণীর তাণ্ডবে ভোলায় অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, নিহত ১

প্রকাশ | ০৪ মে ২০১৯, ১০:৩০

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

ঘূর্ণিঝড় ফণীর তাণ্ডবে ভোলা সদরের দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এসময় ঘরচাপা পড়ে রানী বেগম (৪৫) নামে এক নারী মারা গেছেন।

শনিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে বলে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ইফতারুল হাসান নিশ্চিত করেছেন। 

নিহত রানী বেগম এলাকার সামসুল হকের স্ত্রী ও দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁধের বাসিন্দা। 

শনিবার ভোর থেকে চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর, কুকরি মুকরি, চর পাতিলা, মুজিবনগর, লালমোহন উপজেলার কচুয়ালীর চর, মনপুরার কলাতলীর চরসহ বেশ কিছু এলাকায় ঝড়ো বাতাস বইছে। এতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অর্ধ শতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ভোলা ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) উপ-পরিচালক জানান, শুক্রবার মধ্যরাত থেকে সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত সমগ্র ভোলাতে ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে। এসময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ৭০/৮০ কিলোমিটার। এখনও সাত নম্বর সংকেত বহাল রয়েছে। 

এদিকে শনিবার সকালে খুলনা ও আশপাশের এলাকায় আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ফণী। ঘূর্ণিঝড়টি ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার বেগে ধাবিত হচ্ছে। আজ সকাল ৬টায় ঘূর্ণিঝড়টি খুলনাঞ্চলে আঘাত হানে। ফণীর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় ফণীর কবল থেকে নিরাপত্তার লক্ষ্যে শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় জেলাগুলোর ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৫ জনকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌ বাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, স্বেচ্ছাসেবকসহ রাজনৈতিককর্মীরা উপকূলের মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়াসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন।

এমসি/এসএস