logo
  • ঢাকা শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ৩ কার্তিক ১৪২৬

মাইকিংয়ের পরও কেউ যাচ্ছে না সাইক্লোন সেন্টারে

বরিশাল প্রতিনিধি
|  ০৩ মে ২০১৯, ১৪:৫৯
ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে আজ সকাল থেকে বরিশালে দমকা বাতাস ও নদীতে পানি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। অধিক নিরাপত্তার জন্য ছোট নৌযানগুলো নৌ-বন্দর থেকে ডকইয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে। নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোর বাসিন্দাদের সাইক্লোন সেন্টারে অবস্থান নেয়ার জন্য মাইকিং করছে জনপ্রতিনিধিরা। তবে এখন পর্যন্ত কেউ সাইক্লোন সেন্টারে আশ্রয় গ্রহণ করেনি।

ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবেলায় বরিশালে আগাম প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সকল কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিলসহ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আড়াই হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। গতকাল থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে সকল ধরনের নৌযান চলাচল। 

গতকাল বিকেলে বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে নগরভবনে সকল কাউন্সিলর, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সকল কর্মকর্তাদের নিয়ে ফণী মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি সভা করেছেন।

অপরদিকে জেলা প্রশাসকের সভা গতকাল সকাল নয়টায় ঘূর্ণিঝড়  মোকাবেলায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি প্রথম সভা শুরু হয়। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন বিভিন্ন দপ্তরের উদ্যোগে দফায় দফায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বরিশাল ও এর ১০ উপজেলায় খোলা হয়েছে জরুরি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান জানান, ইউনিয়ন পর্যায়ে ব্যবহারযোগ্য ২৩২টি আশ্রয় কেন্দ্র  প্রস্তুত করা হয়েছে। সেখানে সোয়া লাখ লোকের আশ্রয়ের ব্যবস্থা রয়েছে।  ১০ উপজেলার ৮২ টি ইউনিয়নে একটি করে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। ২৮১টি কমিউনিটি ক্লিনিক, নয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বরিশাল সদর হাসপাতাল ও শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিদ্যুৎ, সড়ক ও জনপথ, ফায়ার সার্ভিস প্রস্তুত রয়েছে। রেড ক্রিসেন্টের ৪০০ স্বেচ্ছাসেবককে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। শুকনো খাবার, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও সালাইন বরাদ্দ করা হয়েছে।

যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা ও ক্ষতি এড়াতে নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে মাইকিং করছে ঘূর্ণীঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি বিভাগ। এদিকে উপকূলীয় এলাকায় সাত নম্বর নৌ সতর্ক সংকেত ঘোষণা করা হয়েছে।

জেবি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়