• ঢাকা বুধবার, ১৯ জুন ২০১৯, ৫ আষাঢ় ১৪২৬

ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ

নওগাঁ প্রতিনিধি
|  ১৫ এপ্রিল ২০১৯, ১৭:২৮
নওগাঁর ধামইরহাটে নবম শ্রেণি পড়ুয়া ক্ষুদ্র জাতিসত্তার এক কিশোরীকে (১৪) অপহরণের পর ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পুলিশ সুজন হাঁসদা (২২) নামে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে। 

whirpool
পুলিশ জানায়, ওই কিশোরীর বাড়ি ধামইরহাট উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের কাজলগ্রামে। সে নবম শ্রেণিতে লেখাপড়া করে। গত রোববার বিদ্যালয়ের আয়োজনে বর্ষবরণের শোভাযাত্রায় অংশ নিতে সে বাড়ি থেকে বের হয়। বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠান শেষে ওই কিশোরী বান্ধবীদের সঙ্গে আত্রাই নদের ধারে উপজেলার শিমুলতলীতে সামাজিক বনায়ন এলাকায় বেড়াতে যায়। বনায়ন এলাকায় একপর্যায়ে একা পেয়ে সুজন হাঁসদা নামের এক তরুণ কিশোরীটির পথ রোধ করে দাঁড়ান। এরপর তিনি নানা ভয়ভীতির মুখে কিশোরীটিকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে সাপাহার উপজেলার গোপালপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। পরে খবর পেয়ে ধামইরহাট থানা পুলিশ রোববার রাত আড়াইটার দিকে সুজন হাঁসদার বাড়ি থেকে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে। এসময় সুজন হাঁসদাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।  

ওই কিশোরীর বাবা বলেন, তাদের গ্রামে (কাজলগ্রাম) সুজনের বোনের বিয়ে হয়েছে। এই সুবাদে তিনি (সুজন) প্রায়ই তার বোনের বাড়িতে বেড়াতে আসত। মাঝেমধ্যেই সে তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করত। বিষয়টি জানার পর তার বোন-দুলাভাইয়ের কাছে অভিযোগ করা হয় এবং কাজলকে গ্রামে আসতে নিষেধ করা হয়। এই ক্ষোভে সুজন তার মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে ধর্ষণ করেন। 

ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। মেয়ের বাবা মামলা করেন। মামলায় সুজনকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে। নওগাঁ সদর হাসপাতালে কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। গ্রেপ্তার সুজনকে আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়