• ঢাকা মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৭ ফাল্গুন ১৪২৫

উপজেলা চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন নিয়ে আ.লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ

স্টাফ রিপোর্টার, লালমনিরহাট
|  ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৭:২২ | আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:০৭
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন পুলিশসহ উভয় গ্রুপের অন্তত ৪০ জন। 

রোববার সকালে আদিতমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে প্রায় দুই ঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে।

জানা গেছে, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান রফিকুল আলম। এদিকে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক প্রয়াত সামছুল ইসলাম সুরুজের ছেলে ইমরুল কায়েস ফারুক। যিনি গত নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষের প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন।

রফিকুল আলমকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ায় মনোনয়ন প্রত্যাশী ইমরুল কায়েস ফারুক ও তার সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। দলীয় মনোনয়ন নিয়ে রোববার ঢাকা থেকে রংপুর হয়ে বাড়ি ফিরছিলেন রফিকুল আলম। তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে তার অনুসারীরা সকালে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা নিয়ে গংগাচড়া শেখ হাসিনা সেতুর দিকে রওনা হন। পথে আদিতমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে এলে মনোনয়ন বঞ্চিতদের অনুসারীরা তাদের পথ রোধ করে বাধা দেন। এতে উভয় গ্রুপ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষে জড়িয়ে পরেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে  টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করলে এতে পুলিশসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৪০ জন আহত হন। এসময় একাধিক মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়। 

আহতদের উদ্ধার করে আদিতমারী উপজেলা হাসপাতাল, লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

লালমনিরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এনএম নাসির উদ্দিন সংঘর্ষের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আতঙ্কের কিছু নেই। পুরো পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

আরো পড়ুন: 

এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়