• ঢাকা শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৪ ফাল্গুন ১৪২৫

চট্টগ্রামে শেষ হলো তিনদিনব্যাপী ক্যালেন্ডার প্রদর্শনী

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
|  ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১১:৫৭ | আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:১৬
ক্যালেন্ডার শুধু দিন মাস গণনার নির্দেশক নয়। ক্যালেন্ডার হয়ে উঠছে শিল্প ও সংস্কৃতির বাহকও। ক্যালেন্ডারেই তুলে ধরা হচ্ছে সমাজ, সভ্যতা, ইতিহাস, ঐতিহ্য, প্রকৃতি, পরিবেশ, শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও উন্নয়নকে। ক্যালেন্ডারের এ ব্যাপ্তি ও পরিধি তুলে ধরতে ব্যতিক্রমী এক আয়োজন শেষ হয়েছে রোববার রাতে চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে। তিনদিনব্যাপী এই ক্যালেন্ডার প্রদর্শনীতে বিভিন্ন ব্যাংক, সংস্থা ও সংগঠনের সৃজনশীল ও নান্দনিক ক্যালেন্ডার উপস্থাপন করা হয়।

বিভিন্ন ব্যাংক, বীমা, করপোরেট কোম্পানিসহ শতাধিক প্রতিষ্ঠানের ২০১৯ সালের ওয়াল ও ডেস্ক ক্যালেন্ডার স্থান পেয়েছে এ প্রদর্শনীতে। শিক্ষা, ইতিহাস-ঐতিহ্য, প্রকৃতি পরিবেশ, সংস্কৃতি, ডিজাইন মোট ৫ ক্যাটাগরিতে সেরা ক্যালেন্ডার বাছাই করে পুরস্কৃত করা হয়।

সেরা ক্যালেন্ডার বাচাইয়ে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রখ্যাত ডিজাইনার রওশনস বুটিকস ও কিডস ক্যাম্পের কর্ণধার রওশন আরা চৌধুরী, ডিজাইনার আইভি হাসান ও শিল্পী খালিদ আহসান ও আজিজুল কাদির। ৫টি ক্যাটাগরিতে মোট ৮টি প্রতিষ্ঠানের ক্যালেন্ডারকে সেরা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

সেরা ক্যালেন্ডার নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো এলিট প্রেইন্ট, কেডিএস, সাইফ পাওয়ারটেক, মধুমতি ব্যাংক লিমিটেড, বায়েজিদ স্টিল ইন্ডাস্টিজ লিমিটেড, বিএনআইসি, গ্রিন ডেল্টা ও আরএসআরএম। প্রথম স্থান অধিকারী এলিট পেইন্ট এর পরিচালক রাহিল আহমেদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সমাপনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রেসিডেন্ট খলিলুর রহমান।

২০১৭ সালে ক্যালেন্ডার প্রদর্শনীতে বিজয়ী আরটিভি ও এনটিভিকেও পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, আরটিভির ব্যুরো প্রধান সরোয়ার আমিন বাবু, এনটিভির সিনিয়র সাংবাদিক আরিস আহমেদ শাহ প্রমুখ। আরও উপস্থিত ছিলেন বিবিআই এর পরিচালক পূরবী দাশ, সঞ্চালক দিলরুবা খানম, নওশীন আফসানা। এই প্রদর্শনীর আয়োজক করে শিল্পকলা সমীক্ষা সংগঠন সবুজ পাঠশালা, শৈল্পিক বাংলাদেশ, পুরানা এবং ব্র্যান্ড প্রমোটর প্রতিষ্ঠান বিবিআই ও মিডিয়া স্কাই।

এ ব্যতিক্রমী ক্যালেন্ডার প্রদর্শনীর আয়োজকরা বলেন, ক্যালেন্ডারের গুরুত্ব বর্ণনা করার মতো না। এমন কোনও ঘর ও অফিস নেই যেখানে ক্যালেন্ডার নেই। ক্যালেন্ডারের এ চাহিদার কারণে দিন দিন ক্যালেন্ডার প্রকাশে শৈল্পিক উপস্থাপনা নিয়ে চলছে বিভিন্ন গবেষণা। মূলত শৈল্পিক ও সাংস্কৃতিক উপস্থাপনাগুলোকে তুলে আনতেই আমরা ২০১৭ সাল থেকে ক্যালেন্ডার প্রদর্শনীর আয়োজন করে আসছি।

আরও পড়ুন 

পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়