Mir cement
logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে এলেন না সেই ছাত্রলীগ নেতা

মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে এলেন না সেই ছাত্রলীগ নেতা
মামুনুল হক

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় করা ধর্ষণ মামলায় পূর্ব নির্ধারিত সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য থাকলেও আসামি মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আসেননি ছাত্রলীগ নেতাসহ আরও একজন।

সোমবার (৯ মে) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে পূর্ব নির্ধারিত চারজনের মধ্যে দুজন এসে সাক্ষ্য দিয়েছেন। আদালত সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আগামী ১৭ জুলাই পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

বাকি দুজন সাক্ষ্য দিতে আসেননি। তারা হলেন-অভিযোগপত্রের ১১ ও ১২ নম্বর সাক্ষী যথাক্রমে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সোহাগ রনি ও রতন মিয়া।

আজ সাক্ষ্য দিয়েছেন অভিযোগপত্রের ৯ ও ১০ নম্বর সাক্ষী যথাক্রমে নাজমুল হাসান শান্ত ও শফিকুল ইসলাম।

এ বিষয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী একেএম ওমর ফারুক নয়ন বলেন, আজ চারজনের সাক্ষ্য দেওয়ার কথা থাকলেও দুজন এসে সাক্ষ্য দিয়েছেন। বাকি দুজন আসেননি। কেন তারা আসেননি আমার জানা নেই। তবে সাক্ষীদের সাক্ষ্যতেই প্রমাণিত হয় এই ঘটনা সাজানো নাটক।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রকিব উদ্দিন আহমেদ বলেন, আজ চার্জশিটের ৯ ও ১০ নম্বর সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। আরও দুজন সাক্ষ্য দেওয়ার কথা থাকলেও তারা আসেননি।

বেলা ১১টা থেকে দুপুর সোয়া ১২টা পর্যন্ত সাক্ষগ্রহণ চলে। এখন পর্যন্ত এ মামলায় ৯ জনের সাক্ষ্য নিয়েছেন আদালত।

এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি মামুনুল হকের বিরুদ্ধে তৃতীয় দফায় সাক্ষ্য দিয়েছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নু, রিসোর্টের আনসার গার্ড ইসমাঈল ও রিসেপশন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান। এর আগে ১৩ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় মামুনুলের বিরুদ্ধে রয়েল রিসোর্টের সুপারভাইজার আব্দুল আজিজ, রিসেপশন কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম অনিক ও আনসার গার্ড রতন বড়াল সাক্ষ্য দিয়েছিলেন।

২০২১ সালের ২৪ নভেম্বর প্রথম দফায় মামুনুল হকের উপস্থিতিতে কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণার সাক্ষ্য নেন আদালত। একই সঙ্গে ৩ নভেম্বর মামুনুল হকের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণ মামলায় বিচারকাজ শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।

২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হক। ওই সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে তাকে ঘেরাও করেন। পরে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে রিসোর্টে ব্যাপক ভাঙচুর করেন এবং তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান।

পরে ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলা করেন ওই নারী। তবে ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করে আসছেন মামুনুল হক।

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS