Mir cement
logo
  • ঢাকা সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

মানিকগঞ্জে বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর

মানিকগঞ্জে বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর
মানিকগঞ্জে বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর, ছবি : প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পুটাইল ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুল জলিলের নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর ও তার এক কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে ঘোস্তা জাহাঙ্গীরনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আব্দুল জলিল বলেন, আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী মহিদুর রহমানের নির্দেশে তাঁর কর্মীরা এ হামলা চালান। এ সময় তার এক কর্মীকে মারধর করা হয়।

তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ২৮ নভেম্বর উপজেলার ১০টি ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পুটাইল ইউপিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিদুর রহমান আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পান। অন্যদিকে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে ওই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক আবদুল জলিল (আনারস প্রতীক) স্বতন্ত্র প্রার্থী হন।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঘোস্তা জাহাঙ্গীরনগর গ্রামে একটি চায়ের দোকানে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল জলিল নির্বাচনী কার্যালয় করেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে ওই নির্বাচনী কার্যালয়ে কয়েকজন কর্মী বসে নির্বাচনী আলোচনা করছিলেন। এ সময় পাঁচ-ছয়টি মোটরসাইকেলে করে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কর্মীরা সেখানে গিয়ে নির্বাচনী কার্যালয়ে থাকা চেয়ার ভাঙচুর ও পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন। সে সময় নির্বাচনী কার্যালয়ে থাকা তোতা মিয়া নামের এক কর্মীকে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করে।

আবদুল জলিল বলেন, ‘আমার কর্মী-সমর্থকদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর নির্দেশে আমার নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর করা হয় এবং আমার এক কর্মীকে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় আমার কর্মী-সমর্থকেরা আতঙ্কে রয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারণায় আমার কর্মী ও সমর্থকদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে টাঙানো আমার নির্বাচনী পোস্টার ছেড়া হচ্ছে। এ বিষয়টি আমি রিটার্নিং কর্মকর্তা, পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়েছি’।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনে প্রার্থী ও কর্মীদের আচরণবিধি মেনে চলতে এবং আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ কাজ করছে। ওই প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ শুনেছি। কেউ আচরণবিধি ভঙ্গ করলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আওয়ামী লীগের প্রার্থী মহিদুর রহমান বলেন, গতকাল রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত আমি ও আমার কর্মীরা লেমুবাড়ি এলাকায় দলের একটি বিশেষ বর্ধিত সভায় ছিলাম। ওই প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুরের বিষয়টি আমার জানা নেই। অন্য কোনো প্রার্থী ভাঙচুর করে থাকতে পারে। বিদ্রোহী প্রার্থীর সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক রয়েছে।

মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকবর আলী খান বলেন, ‘খবর পেয়ে আমিসহ আরও পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে যাই। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে সবাইকে সতর্ক করেছি।’

পি

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS