Mir cement
logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ৭ কার্তিক ১৪২৮

হাত-পা বাঁধা অবস্থায় শিম খেতে পড়েছিল অটোরিকশাচালকের মরদেহ

হাত-পা বাঁধা অবস্থায় শিম খেতে পড়ে ছিল অটোরিকশা চালকের মরদেহ

নরসিংদীর রায়পুরায় শিম খেতের ভেতরে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় পড়ে থাকা একজন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে রায়পুরার অলিপুরা ইউনিয়নের সাহেবনগর এলাকার একটি শিম খেতের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ধারণা করা হচ্ছে, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাটি ছিনিয়ে নেওয়ার সময় বাধা দেওয়ায় হত্যার পর তার মরদেহ ওই শিম খেতে ফেলে রাখা হয়।

নিহত অটোরিকশাচালকের নাম মো. রফিক মিয়া (৬০)। তিনি নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার যোশর ইউনিয়নের মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত মিন্নত আলীর ছেলে। গতকাল বুধবার বিকেলে অটোরিকশা নিয়ে বের হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, আজ সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ওই শিম খেতের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় ভেতরে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তারা আশপাশের লোকজনকে ডেকে আনেন এবং রায়পুরা থানায় খবর দেন।

দুপুর ১২টার দিকে রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক আরিফ রব্বানী ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে নিহতের স্বজনরা এসে মরদেহ শনাক্ত করার পর ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, মো. রফিক মিয়া গতকাল বুধবার বিকেল ৪টার দিকে তার অটোরিকশাটি নিয়ে বের হয়েছিলেন। পরে ওই রাতে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। আশপাশের কয়েকজন অটোরিকশাচালক ও স্বজনদের মাধ্যমে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

আজ দুপুরে রায়পুরার অলিপুরার সাহেবনগরের একটি শিম খেতের ভেতরে লাশ পড়ে থাকার খবর পাওয়া যায়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মো. রফিক মিয়ার মরদেহ শনাক্ত করেন তার স্বজনরা।

নিহত মো. রফিক মিয়ার ছেলে আতাউর হোসেন জানান, আমার আব্বা গতকাল বিকেল ৪টার দিকে অটোরিকশা নিয়ে বের হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন। তার অটোরিকশাটি ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। হয়তো ওই সময় বাধা দেওয়ায় তাকে হত্যা করে মরদেহ ওই শিম খেতের ভেতরে ফেলে রেখেছে হত্যাকারীরা। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।

রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক আরিফ রব্বানী জানান, খবর পেয়ে শিম খেতের ভেতর থেকে নিহত ব্যক্তির মরদেহ হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তবে নিহতের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। উদ্ধারের পর নিহতের স্বজনরা এসে মরদেহ শনাক্ত করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, অটোরিকশাটি ছিনিয়ে নেওয়ার জন্যই হাত-পা ও মুখ বেঁধে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

এমএন/টিআই

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS