Mir cement
logo
  • ঢাকা রোববার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

টাঙ্গাইল (উত্তর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

  ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৫৯
আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:৫৯

ভূঞাপুরে যন্ত্রণার নাম ভুতুড়ে বিল ও লোডশেডিং

ভূঞাপুরে যন্ত্রণার নাম ভুতুড়ে বিল ও লোডশেডিং
মরা বাঁশে বিদ্যুৎ লাইন

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলাকে ২০১৭ সালে ১ মার্চ শতভাগ বিদ্যুতায়ন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উৎসবের আমেজ বিরাজ করে ভূঞাপুরবাসীর মাঝে। এছাড়াও স্থানীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরের প্রতিশ্রুতি মোতাবেক দুর্গম চরাঞ্চলে পৌঁছে যাচ্ছে বিদ্যুৎ। এতে আশার আলো দেখছেন চরাঞ্চলবাসী। হাসির ঝিলিক দেখা গেছে অন্ধকারে থাকা লোকজনের মাঝে।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে ভূঞাপুরে শতভাগ বিদ্যুতায়নের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয় ১২৩.৯০ কোটি টাকা। বরাদ্দে ৮২৬ কিলোমিটার নতুন লাইন নির্মাণের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। এছাড়াও প্রতি বছর লাইন সংস্কার, খুঁটি, তার, ট্রান্সফরমারসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক মালামালের জন্য বরাদ্দ আসে কোটি কোটি টাকা। তারপরও শতভাগ বিদ্যুতায়ন ঘোষণার সাড়ে ৪ বছর অতিক্রম হলেও এর সুবিধা পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। খাম্বা বাণিজ্য, লাইন বাণিজ্য, ট্রান্সফরমার বাণিজ্য যেন নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ভূঞাপুর বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীদের। টাকা ছাড়া যেন কোন কিছুই হয় না এ অফিসে। অথচ বিনামূল্যে এসব সুবিধা পাওয়ার কথা গ্রাহকদের। এছাড়াও ভুতুড়ে বিল আর লোডশেডিংয়ের বাড়তি বোঝাতো রয়েছেই।

এদিকে শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলায় এখনো মরা বাঁশ ও গাছের মধ্যে দিয়ে বিদ্যুতের লাইন নেয়া হয়েছে। অনেক জায়গায় তার মাটিতে ছুঁই ছুঁই। বাঁশ দিয়ে কোন রকম টিকিয়ে রাখা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় ঘটছে প্রাণহানির ঘটনা। তারপরও টনক নড়ছে না কর্তৃপক্ষের। দেখেও যেন না দেখার ভান করে চলছে ভূঞাপুর বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এ রকম চিত্র দেখা গেছে অহরহ।

চেংটাপাড়া গ্রামের আলাউদ্দিন আরটিভি নিউজকে বলেন, তার বাড়ির সামনে দিয়ে জরাজীর্ণ একটি বিদ্যুতের লাইন গেছে। এ লাইনে দুটি গরু ও পুকুরের ১৫ হাজার টাকার মাছ মারা যায়। লাইনটি সংস্কারের জন্য ৭ মাস আগে ভূঞাপুর বিদ্যুৎ অফিসে আবেদন করা হলেও এখন পর্যন্ত লাইনটি সেই অবস্থাতেই রয়ে গেছে।

গোবিন্দাসী গ্রামের আবুল কালাম আরটিভি নিউজকে জানান, গোবিন্দাসী স্কুল রোডের লাইনটি জরাজীর্ণ। মাথা ছুঁই ছুঁই। মরা বাঁশ দিয়ে লাইন টিকিয়ে রাখা হয়েছে। দড়ি আর ছেঁড়া কাপড় দিয়ে তার বেঁধে রাখা হয়েছে। যে কোন মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। বিদ্যুৎ অফিসে জানানো হলেও কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না তারা।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান ভূঁইয়ার অফিসিয়াল নাম্বারে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার ব্যবহৃত নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে উপ-সহকারী প্রকৌশলী মিরাজ হোসেন আরটিভি নিউজকে জানান, এসব বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ অফিসের অভিযোগ নাম্বারে যোগাযোগ করেন। আমি এখন বাইরে আছি।

জিএম

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS