Mir cement
logo
  • ঢাকা রোববার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২ কার্তিক ১৪২৮

আদালত প্রাঙ্গনে স্যান্ডেল নিয়ে মারতে গেলো আসামিরা 

আদালত প্রাঙ্গনে স্যান্ডেল নিয়ে মারতে গেলো আসামিরা 
মারতে গেলো আসামিরা

নোয়াখালীতে বাদীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত থেকে বের হয়ে আসার সময় ভিডিও ধারণ করায় গণমাধ্যম-কর্মীদের ওপর চড়াও হয় আসামিরা।

বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) আদালত প্রাঙ্গনে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে একই দিন সকালে জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক জয়নাল আবেদিনের আদালতে নির্যাতিতার সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

সূত্রে জানা গেছে, বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নে জয়কৃষ্ণপুর গ্রামের খালপাড় এলাকায় চাঞ্চল্যকর গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনার মামলায় আদালতে সাক্ষী দিয়েছেন মামলার বাদী ভুক্তভোগী ওই নারী। আদালতে বাদীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত থেকে বের হয়ে আসার সময় ভিডিও ধারণ করার অপরাধে সংবাদকর্মীদের ওপর চড়াও হয় আসামিরা। এ সময় আসামিরা পুলিশের উপস্থিতিতে সংবাদকর্মীদের গালমন্দ, স্যান্ডেল নিয়ে মারতে উদ্যত ও ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, আদালতে বিচার কার্যের শুরুতেই প্রথম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন মামলার বাদী ওই নির্যাতিতা নারী। সাক্ষ্যগ্রহণের সময় আদালতে মামলার ৯ জন আসামি উপস্থিত ছিল। ২০২০ সালের ৪ অক্টোবর রাতে ওই নারী বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করলেও এ মামলার অপর ৪ জন আসামি এখনো পলাতক রয়েছে। এরই মধ্যে মামলায় ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পিবিআই। অভিযোপত্র দাখিলের পর সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে এখন। এর মধ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গভাবে মামলার বিচার কার্য শুরু হলো।

এদিকে রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ লাবলু। বাদীপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোল্লা হাবিবুর রসুল মামুন ও আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন বাদল, অ্যাডভোকেট আব্দুল কাইয়ুম ও অ্যাডভোকেট আব্দুস শহিদ।

পাবলিক প্রসিকিউটর সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ লাবলু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ আগামী সোমবার ধার্য করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২০২০ সালের ২ সেপ্টেম্বর রাতে ওই নারীর আগের স্বামী তার সঙ্গে দেখা করতে তার বাবার বাড়ি বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নে জয়কৃষ্ণপুর গ্রামে এসে তাদের ঘরে ঢুকেন। বিষয়টি দেখতে পায় স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী ও দেলোয়ার বাহিনীর প্রধান দেলোয়ার হোসেন দেলু। রাত ১০টার দিকে দেলোয়ারের লোকজন ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করে পরপুরুষের সঙ্গে অনৈতিক কাজ ও তাদের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাকে মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে পিটিয়ে নারীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করে।

জিএম

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS