Mir cement
logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮

যমুনার ভাঙনে ৫০ ঘরবাড়ি বিলীন, হুমকির মুখে মাদরাসা-স্কুল

যমুনার ভাঙনে ৫০ ঘরবাড়ি বিলীন
যমুনার ভাঙনে ঘরবাড়ি বিলীন

যমুনার পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার দক্ষিণ অংশে শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে এ অঞ্চলের ৫০টি ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে অসংখ্য স্থাপনা। এতে ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে ভাঙন কবলিত মানুষেরা।

শুক্রবার (১৬ জুলাই) খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যমুনা নদীতে অব্যাহত পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চৌহালীর খাসপুখুরিয়া থেকে বাঘুটিয়া ইউনিয়নের ভুতের মোড় পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটারে ভাঙন দেখা গেছে। গত দুই সপ্তাহে অর্ধশত বসতভিটা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি ক্লিনিক, মসজিদ, মাদরাসা, বাজার ও কয়েকশত একর জমি নদীতে বিলীন হয়েছে। হুমকির মুখে রয়েছে বাঘুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ, বিনানই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুম্ভুদিয়া পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুম্ভুদিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, সুম্ভুদিয়া আজিজিয়া আলিম সিনিয়র মাদরাসা, সুম্ভুদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অসংখ্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।

এ বিষয়ে বাঘুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল কাহহার সিদ্দিকী আরটিভি নিউজকে জানি, জুন মাসের শেষ দিক থেকেই এ অঞ্চলে ভাঙন শুরু হয়েছে। মাত্র দুই সপ্তাহে ৫০টি বাড়িঘর নদীগর্ভে চলে গেছে। বিনানই সেতুটি অর্ধেক অংশের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যেকোনো সময় নদী গর্ভে চলে যাবে। চৌহালী দক্ষিণাঞ্চলকে রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী তীর সংক্ষরণ বাঁধের কাজ শুরু করতে হবে। কাজ না হলে স্কুল, ইউনিয়ন পরিষদ, কারিগরি কলেজ ও হাট-বাজারসহ বহু ঘরবাড়ি নদী গর্ভে চলে যাবে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী (চৌহালীর দায়িত্বে) সিরাজুল ইসলাম আরটিভি নিউজকে জানিয়েছেন, বিনানই এলাকায় ভাঙনরোধে জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং চলছে। এছাড়াও এ এলাকায় স্থায়ী নদী তীর সংরক্ষণ বাঁধ প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

এমআই

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS