Mir cement
logo
  • ঢাকা সোমবার, ০২ আগস্ট ২০২১, ১৮ শ্রাবণ ১৪২৮

রাজবাড়ী প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

  ১৩ জুন ২০২১, ১৯:৩৪
আপডেট : ১৩ জুন ২০২১, ১৯:৩৬

তাহলে আমি কী ৪ বছর বয়সেই বাবা হয়েছিলাম?

তাহলে আমি কী ৪ বছর বয়সেই বাবা হয়েছিলাম?
ভুক্তভোগী শহর আলী

শহর আলী মাত্র ৪ বছর বয়সেই পুত্র সন্তানের বাবা হয়েছিলেন। স্ত্রীও তার চেয়ে বয়সে ১১ বছরের বড়। এই ঘটনাটি কাগজ-কলমে সরকারি খাতায় এমন ভাবেই লিপিবদ্ধ হয়েছে।

ভুক্তভোগীরা রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডের নারুয়া গ্রামের বাসিন্দা।

জানা গেছে, জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী নারুয়া গ্রামের মেছের আলী বিশ্বাসের ছেলে মো. শহর আলীর জন্ম ১৯৬৩ সালের ১৮ আগস্ট। তার স্ত্রী ঝর্ণা বেগম তার থেকে ১০ বছরের বড়। ১৯৫২ সালে জন্ম তার। এই দম্পতির একমাত্র ছেলে স্বপন। পরিচয়পত্রে তার জন্ম তারিখ দেয়া হয়েছে ১৯৬৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি। এই হিসেবে শহর আলীর বয়স ৫৮ বছর, তার স্ত্রী ঝর্ণা বেগমের বয়স ৬৯ এবং ছেলে স্বপনের বয়স ৫৪ বছর।

ভুক্তভোগী মো. শহর আলী বলেন, আমার জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্ম তারিখ তারা ইচ্ছামতো বসিয়েছে। এ কারণে আমি ভোটার আইডি কার্ড দিয়ে সরকারি বিভিন্ন সহায়তা পেতে বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে। আমার চেয়ে যারা ছোট তারাও বয়স্ক ভাতা পাচ্ছে। আর আমি আইডি কার্ড নিয়ে গেলে বলে আপনার বয়স হয়নি। আমার চেয়ে আমার একমাত্র ছেলে ৪ বছরের ছোট। তাহলে আমি কী আমি ৪ বছরেই বাবা হয়েছিলাম?

তিনি আরও বলেন, আবার আমার স্ত্রীর বয়স আমার চেয়েও ১১ বছরের বড়। এখন কি করবো। নির্বাচন অফিসে গেলে তারা সংশোধনীর আবেদন করতে বলেন। আমরা গরিব খেটে খাওয়া মানুষ কার ভুলে আমরা এখন গচ্ছা দিচ্ছি। আমি বিষয়টি তদন্তপূর্বক জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে নারুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আব্দুস সালাম মাস্টার বলেন, এই ঘটনা শুনার সঙ্গে সঙ্গে আমি তাকে সংশোধনীর জন্য আবেদন করতে বলেছি।

জিএম

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS