Mir cement
logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ১১ আষাঢ় ১৪২৮

ঝুঁকি নিয়ে মাছ ধরা ট্রলারে যাত্রীরা

ঝুঁকি নিয়ে মাছ ধরা ট্রলারে যাত্রীরা
ঝুঁকি নিয়ে মাছ ধরা ট্রলারে যাত্রীরা

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েনের পরও রোববার (০৯ মে) সকাল থেকে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়ায় বাড়িফেরা মানুষদের ঢল নেমেছে। রোববার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে শনিবার (৮ মে) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রোববার সকাল ৭টা পর্যন্ত স্বাভাবিক থাকে ফেরি চলাচল।

আবারও বন্ধ পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটের ফেরি চলাচল। তবে বাড়ি যেতে হবে। সেটা যেকোনো ভাবেই হোক।

অন্যদিকে মানুষও ঈদে ঢাকায় থাকতে নারাজ। এ অবস্থায় অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে মাছ ধরা ট্রলারে পাড়ি দিচ্ছে খরস্রোতা পদ্মা। এতে যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পুরনো মাওয়া ঘাট এলাকার মাছ ধরা শতাধিক ট্রলার এখন আড়ালে-আবডালে যাত্রী পারাপারে ব্যস্ত রয়েছে। তারা কান্দিপাড়া ঘাট এলাকার নির্জন জায়গা থেকে যাত্রী নিয়ে পাড়ি জমাচ্ছেন শরিয়তপুরের মাঝিরপাড়া চর এলাকায়। সেখান থেকে ভিন্ন ভিন্ন পরিবহনে গন্তব্যে পৌঁছাবেন এসব যাত্রীরা।

এদিকে রোববার (৯ মে) সকালেও শিমুলিয়া ঘাটে সহস্রাধিক যাত্রীকে অপেক্ষমাণ দেখা গেছে। তারা আশায় রয়েছেন যদি আজও দুএকটা যাত্রীবাহী ফেরি ছেড়ে যায়! তবে ঘাট কর্তৃপক্ষ বলছেন, গত পরশু রাতে ফেরি চলাচলের ঘোষণা আসায় অনেক যাত্রী গতকাল ভুলে করে চলে এসেছিল। এজন্য মানবিক কারণে কয়েকটি যাত্রীবাহী ফেরি ছেড়ে গেছে। তবে আজ সেই সুযোগ নেই বললেই চলে।

এদিকে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে শিমুলিয়া ঘাট থেকে রোববার সকাল ১০টার দিকে প্রায় দুই হাজার যাত্রী নিয়ে ছেড়ে গেছে ফেরি শাহপরাণ। এর আগে ১১টি অ্যাম্বুলেন্স ও কিছু যাত্রী ছেড়ে যায় ফেরি ফরিদপুর।

এর আগে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে শুক্রবার (৭ মে) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটএ) জানায়, ফেরিতে করে দিনের বেলায় যাত্রী পারাপার বন্ধ থাকবে। রাতে কেবল জরুরি পণ্য ও অ্যাম্বুলেন্স পারাপার করবে ফেরিগুলো।

পরদিন শনিবার সকাল থেকেই শিমুলিয়া ও পাটুরিয়া ঘাটে মানুষের ঢল নামে। হাজারো যাত্রীর চাপে শেষমেষ শিমুলিয়া ঘাট থেকে কয়েকটি ফেরি ছেড়ে যায়।

এমআই

RTV Drama
RTVPLUS