logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ২ বৈশাখ ১৪২৮

ফরিদপুর প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

  ০৬ এপ্রিল ২০২১, ১২:১৮
আপডেট : ০৬ এপ্রিল ২০২১, ১৩:৩৭

সালথা রণক্ষেত্রের পরদিন একজনের মৃত্যু

One died the next day on the battlefield of Saltha
সালথা রণক্ষেত্রের পরদিন একজনের মৃত্যু

ফরিদপুরের সালথায় ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের পরদিন ১ জনের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সকালে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশিকুজ্জামান বলেন, ‘গতকালের ঘটনায় একজনের মৃত্যুর সংবাদ শুনেছি। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।’ তবে এর আগে সোমবার (৫ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে ফরিদপুরের সালথা উপজেলা।

আরও পড়ুনঃ মামুনু‌লের প‌ক্ষে ফেসবুকে পোস্ট, পদ হারালেন ছাত্রলীগ নেতা

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ফুকরা বাজারে চা পান করে ওই ইউনিয়নের নটাখোলা গ্রামের মো. জাকির হোসেন মোল্যা বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় সেখানে লকডাউনের পরিস্থিতি পরিদর্শনে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারুফা সুলতানা খান হিরামণি উপস্থিত হন।

জাকির হোসেন অভিযোগ করেন, কিছু বুঝে ওঠার আগেই সহকারী কমিশনারের গাড়ি থেকে নেমে এক ব্যক্তি তার কোমরে সজোরে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। আহত জাকির হোসেনকে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর পরে বিভিন্ন ইউনিয়নে মোবাইলে যোগাযোগ করে ‘পুলিশের গুলিতে ২ জন নিহত হয়েছে’ এ-জাতীয় গুজব ছড়িয়ে সালথায় লোক জড়ো করা হয়। সন্ধ্যার পর হাজার হাজার জনতা থানা ও উপজেলা কমপ্লেক্স ঘেরাও করে। এক পর্যায়ে তারা উপজেলা কমপ্লেক্সের প্রধান ফটক ও থানার ফটকের সামনে আগুন ধরিয়ে দেয়।

আরও পড়ুনঃ মামুনুল হককে নিয়ে স্ট্যাটাস, যুবলীগ নেতা পুলিশ হেফাজতে

এই বিষয়ে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান বলেন, লকডাউনের প্রথম দিনে সরকারি নির্দেশনা পালন করতে গিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর সাথে কর্মকর্তাদের ভুল বোঝাবুঝি হয়। কথা-কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়ে এলাকাবাসীরা ক্ষুব্ধ হয়ে উপজেলা পরিষদ, থানা, উপজেলা চেয়ারম্যানের বাসভবনসহ বিভিন্ন অফিস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষার্থে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জিএম

RTV Drama
RTVPLUS