logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ৭ বৈশাখ ১৪২৮

লকডাউনের খবরে হতাশ যশোরের সাধারণ মানুষ

লকডাউনের খবরে হতাশ যশোরের সাধারণ মানুষ
ফাইল ছবি

আগামীকাল থেকে লকডাউন হওয়ার খবরে চিন্তিত হয়ে পড়েছে যশোরের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। এর আগের টানা লকডাউনের ধকল কাটিয়ে ওঠার আগেই আবারো লকডাউনের খবরে হতাশা বিরাজ করছে তাদের মধ্যে। আসন্ন রমজানকে ঘিরে ইতোমধ্যে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। লকডাউনের খবরে নতুন করে কোনও পণ্যের দাম বাড়েনি বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।

লকডাউনের খবর প্রচারের পরই যশোরে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়। কেউ কেউ ব্যাগ নিয়ে বাজারে ছুটতে শুরু করে। বড়বাজারে বেচাকেনার ধুম পড়ে। কথা হয় বাজার করতে আসা সালামুন হাসানের সাথে। তিনি বলেন, বাড়িতে খাবার যা আছে তাতে একদিন চলবে। দাম বেড়ে যেতে পারে এই আশঙ্কায় তিনি আগেভাগে বাজারে আসেন বলে জানান।

তিনি বলেন, তার কাছে যে অর্থ আছে তা দিয়ে তিনি পাঁচদিন চলতে পারবেন। লকডাউনের মধ্যে এরপর তিনি কী করবেন তা নিয়ে চিন্তিত। বাজারে আসা অন্তত আরও চার-পাঁচ জন একই ধরনের কথা বলেন।

করোনার ঢেউ সামলাতে না পারার কারণে অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের কেউ কেউ এখনো অর্ধেক বেতনেই চাকরি করছেন। এসব মানুষের কাছে জমানো অর্থ নেই বললেই চলে। এমন অবস্থায় নতুন করে লকডাউন হলে তাদের না খেয়ে মরতে হবে বলে জানান অনেকেই। শুধু তাই না, গতবারের লকডাউনে সরকারের সাথে সাথে বিভিন্ন ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান নানাভাবে সাহায্য সহযোগিতা করেছিল। এবার কি তারা সেইভাবে সহযোগিতার হাত বাড়াতে পারবেন? এই প্রশ্নও উঠেছে কারো কারো মধ্যে।

তারা আরও বলছেন, গতবারের লকডাউনের সময় সয়াবিন তেল ছিল ৯০ টাকা লিটার। এখন তার দাম ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা।

এদিকে, লকডাউন নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে ব্যাপক হতাশা। তাদের মাথায় এক প্রকার হাত উঠেছে। সামনে রমজান ও ঈদ। অনেকে আগে থেকে বিভিন্ন ধরনের পণ্য মজুত করে রেখেছেন ব্যবসায়ীরা। এমন সময় লকডাউনের খবরে মুষড়ে পড়েছেন তারা।

যশোর বড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মীর মোশারফ হোসেন বাবু বলেন, “ব্যবসায়ীরা দোকান খোলা রাখতে চান। স্বল্প সংখ্যক ক্রেতাকে প্রবেশের সুযোগ রেখে ব্যবসায়ীরা দোকান ও শপিংমল খোলা রাখতে চান।”

এসএস

RTV Drama
RTVPLUS