Mir cement
logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ২৮ বৈশাখ ১৪২৮

আশুলিয়া প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

  ০৪ এপ্রিল ২০২১, ১৬:৫২
আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২১, ১৭:২৭

প্রেমিকাকে ওড়না পেঁচিয়ে নদীতে ডুবিয়ে দিল প্রেমিক বাবু

Boyfriend Babu wrapped his girlfriend in a scarf and drowned her in the river
প্রেমিকাকে ওড়না পেঁচিয়ে নদীতে ডুবিয়ে দিল প্রেমিক বাবু

আশুলিয়ায় বিয়ের জন্য চাপ দেয়াতে প্রেমিকাকে হত্যা করে বস্তায় ভরে মরদেহ নদীতে ডুবিয়ে দিয়েছে প্রেমিক। পরে গ্রেপ্তারকৃত প্রেমিক বাবু আকনের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের ৫ দিন পর আশুলিয়ার বংশী নদী থেকে প্রেমিকা সাহিদা আক্তার হ্যাপির (৩১) বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

রোববার (০৪ এপ্রিল) দুপুরে আশুলিয়ার নয়ারহাট এলাকার বংশী নদী থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত বাবু আকনকে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। নিহতের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত বাবু আকন আশুলিয়ার কুরগাঁও এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে। নিহত হ্যাপি কুরগাঁও এলাকাতেই বাবা-মাসহ থাকতেন আর স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। নিহত হ্যাপির গ্রামের বাড়ির বরিশালের হিজলা থানার কোলচর গ্রামে। পুলিশের ধারণা গত এক বছর ধরে তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও আশুলিয়ার থানার এস আই ইকবাল হোসেন জানান, গত বুধবার (৩১ মার্চ) রাতে হ্যাপি বাবু আকনের সাথে দেখা করতে যায়। পরে সেখানে বিয়ের জন্য চাপ দিলে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে হ্যাপিকে ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ বস্তাবন্দী করে নদীতে ফেলে দেয়। নিহতের বাবার জিডির সূত্র ধরে অনুসন্ধান শুরু হয়। বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহের সূত্রে কথিত প্রেমিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যার ৫ দিন পর হ্যাপির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আবদুল কুদ্দুস বেপারী বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এর আগে ৩১ মার্চ রাতে বাবু আকন হ্যাপিকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য নজরুল ইসলাম নামে স্থানীয় এক সিএনজি চালকের সহায়তা চায়। তবে সিএনজি চালক বিষয়টি কৌশলে সেই রাতেই র‌্যাব -৪ কে জানায়। পরে র‌্যাব বাবু আকনকে গত শনিবার ভোর রাতে আটক করে পুলিশ দেয়।

জিএম

RTV Drama
RTVPLUS