Mir cement
logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ৩১ বৈশাখ ১৪২৮

দৃষ্টিজুড়ে শূন্য সমুদ্র সৈকতে এখন শুধুই ঢেউয়ের শব্দ

দৃষ্টিজুড়ে শূন্য সমুদ্র সৈকতে এখন শুধুই ঢেউয়ের শব্দ
ফাইল ছবি

কক্সবাজারের স্থানীয়রা সব সময় কোলাহল দেখে অভ্যস্ত। পর্যটক শূন্য সমুদ্র সৈকত তারা খুব কমই দেখতে পান। কান পাতলে এখন শুধুই সমুদ্রের গর্জন শোনা যাচ্ছে। যতদূর চোখ যায় শূন্যতা। ধূধূ পরে আছে সমুদ্র সৈকত। মূলত করোনা সংক্রমণ আবারো বৃদ্ধি পাওয়ায় মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতসহ সকল পর্যটন স্পট ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ করা হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার (২ এপ্রিল) থেকে আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত এই ঘোষণা কার্যকর থাকবে। বন্ধ ঘোষণার পর মূলত সমুদ্র সৈকতের তিনটি পয়েন্ট এখন ফাঁকা।

সরজমিনে দেখা গেছে, সৈকতের তিনটি পয়েন্ট ছাড়াও বিভিন্ন স্থানে পর্যটক ও স্থানীয়দের প্রবেশ রোধে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেছে জেলা প্রশাসন। বিক্ষিপ্তভাবে পর্যটক ও স্থানীয়রা সমুদ্র সৈকতে নামতে চাইলেও টুরিস্ট পুলিশ, বীচ কর্মী ও লাইফগার্ড কর্মীরা বাধা দিচ্ছেন। তবে মূল পয়েন্ট বাদ দিয়ে হিমছড়িসহ অন্য কয়েকটি পয়েন্ট দিয়ে সৈকতে প্রবেশ করে বেশকিছু পর্যটক ও স্থানীয়রা।

এদিকে হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউজ, রেস্টুরেন্ট ও বিপণি কেন্দ্রগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানার শর্তে খোলা রাখা হয়েছে। কক্সবাজারে অবস্থান করা পর্যটকরা ফেরত যেতে শুরু করেছে।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সমুদ্র সৈকতে লাখো পর্যটকের সমাগম ঘটে অথচ গতকাল শুক্রবার ফাঁকা ছিল পুরো সৈকত। ছিল না ফটোগ্রাফার, বিচ বাইক চালক, জেড স্কি চালক।

তারকা হোটেল সী গালের ম্যানেজার নুর মোহাম্মদ রাব্বি জানান, এরমধ্যে অনেক পর্যটক আগাম বুকিং বাতিল করেছেন।

কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার চৌধুরী মিজানুজ্জামান জানান, সমুদ্র সৈকতে কাউকে নামতে দেয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি সৈকত লাগোয়া সকল দোকান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি সৈকতের বিনোদন ছাতা (কিটকট), বিচ-বাইক ও জেটস্কিসহ সব ধরণের পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সমুদ্র সৈকতসহ পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে নজরদারি রাখতে টুরিস্ট পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আমিন আল পারভেজ জানান, দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পর্যটকরা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতসহ পর্যটন কেন্দ্র গুলোতে এসে ভিড় করে। এতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিটা বেশি। বেশ কিছুদিন ধরে পর্যটকদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে সচেতনতা করার চেষ্টা করা হলেও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। জন সমাবেশ যাতে না হয় সে জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, কক্সবাজারে রয়েছে সাড়ে ৪ শতাধিক হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ। এগুলো খোলা থাকলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৫০ শতাংশ রুম চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। তবে পর্যটন স্পট বন্ধের ঘোষণায় পর্যটকরা কক্সবাজার ছাড়ছেন।

হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির দেয়া তথ্য মতে, কক্সবাজারে এখনও ৩০ হাজারের বেশি পর্যটক অবস্থান করছেন।

এসকে/এসএস

RTV Drama
RTVPLUS