logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ৩০ চৈত্র ১৪২৭

শরীয়তপুর প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

  ০৮ মার্চ ২০২১, ০৮:৪২
আপডেট : ০৮ মার্চ ২০২১, ০৮:৫৮

শরীয়তপুরের হারানো সেই দুই শিশু ফিরে পেল বাবা মা

The parents got back the two children lost in Shariatpur
শরীয়তপুরের হারানো সেই দুই শিশু ফিরে পেল বাবা মা

হারানো দুই শিশু নীরব (৯) ও খুশিকে (৮) তার অভিভাবকের হাতে তুলে দিয়েছেন শরীয়তপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ. ছালাম খান। রোববার (৭ মার্চ) দুপুরে শিশু দুজনকে তার বাবা রফিকুল ইসলাম সুমন ব্যাপারী (৩০) ও দাদি রোকেয়া বেগমের (৬০) কাছে ফিরিয়ে দেয়া হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, দুই শিশুর বাড়ি শরীয়তপুর সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বড় বিনোদপুর সুবিদার কান্দি গ্রামে।

গত ৩ মার্চ (বুধবার) রাত সাড়ে ১০টার দিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ফাহাদ হোসেন তপু শরীয়তপুর সদর উপজেলার ডোমসার বাজারে দেখতে পান বেশ কিছু মানুষ এক জায়গায় জড়ো হয়ে আছে। স্থানীয়রা তাকে জানান, দুজন শিশু পাওয়া গেছে। শিশুদের পরিচয় জিজ্ঞেস করলে তারা বলতে পারছিল না।

তাৎক্ষণিক পালং মডেল থানার ওসিকে বিষয়টি জানান তপু। তখন পুলিশ গিয়ে তাদের দুজনকে উদ্ধার করে পালং মডেল থানায় নিয়ে যায়। পরদিন বৃহস্পতিবার শিশুদেরকে আদালতের মাধ্যমে নিরাপদ হেফাজতে ফরিদপুর সেইফ হোমে পাঠানো হয়।

শুক্রবার (৫ মার্চ) আরটিভি অনলাইনে ‘শরীয়তপুরে দুই অবুঝ শিশু উদ্ধার, খুঁজছে বাবা-মাকে’ এই শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়। পরে শিশুদের পরিবার সংবাদটি ফেসবুকে দেখতে পায়।

দাদি রোকেয়া বেগম বলেন, ‘নীরব ও খুশির মা মরিয়ম বেগম দুই বছর আগে ওদের রেখে ঢাকা চলে যায়। আর খবর নেয়নি। বাবা রফিকুল ইসলাম সুমন ব্যাপারী ঢাকাতে রিকশা চালায়। সেই সুবাদে নীরব ও খুশি গ্রামের বাড়িতে আমার সঙ্গে থাকে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অন্য শিশুদের সঙ্গে ঝগড়া করে নীরব ও খুশি। তাই ওদের গালাগালি করেছিলাম। তার জন্য ওরা বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পালিয়ে গিয়ে পথ ও ঠিকানা ভুলে যায়। পরে নীরব ও খুশির ছবি নেটে দেখতে পাই। থানার মাধ্যমে জানতে পারি ওদের আদালতে দেয়া হয়েছে।’

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম উদ্দিন বলেন, ‘উদ্ধার করার পর আসল অভিভাবক ও সঠিক ঠিকানা জানতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের ছবি দেয়া হয়েছিল। শিশুদেরকে আদালতের মাধ্যমে নিরাপদ হেফাজতে পাঠানো হয়। তাদের অভিভাবকের অনুসন্ধান করে এবং পরিচয় নিশ্চিতের পর রোববার আদালত শিশু দুটিকে বাবা ও দাদির কাছে হস্তান্তর করেছে।

জিএম/পি

RTV Drama
RTVPLUS