logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ৩০ চৈত্র ১৪২৭

এনআইডি জালিয়াতি: ৫ নির্বাচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২ মামলা

NID fraud: 2 cases against 5 election officials
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপসচিব নওয়াবুল ইসলাম (সাবেক কুষ্টিয়া জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা)

কুষ্টিয়ার আলোচিত এনআইডি জালিয়াতির ঘটনায় এক উপসচিবসহ পাঁচ নির্বাচনী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা করা হয়েছে। গত বছর জালিয়াতির মাধ্যমে ৬ জনের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পরিবর্তন করে জমির মালিক সেজে শত কোটি টাকার সম্পত্তি আত্মসাৎ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। ওইসময় এ ঘটনায় কুষ্টিয়া রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ ১৮ জনের নামে মামলা হয়। এরপর থেকে নির্বাচন অফিসের পক্ষ থেকে বিভাগীয় তদন্ত হয়। এরই প্রেক্ষিতে গেল ৪ মার্চ কুষ্টিয়া মডেল থানায় এই মামলা করেন জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান। মামলা নম্বর ৮। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জাবিদ।

এতে আসামি করা হয়েছে, ঢাকার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপসচিব নওয়াবুল ইসলাম (সাবেক কুষ্টিয়া জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা), ফরিদপুরের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, মাগুরা সদরের উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা অমিত কুমার দাস, কুষ্টিয়া নির্বাচন অফিস সহকারী জিএম সাদিক সত্যবাদী। একই দিনে অন্য একটি মামলা হয়েছে কুমারখালী থানায়। এতে আসামি করা হয়েছে কুষ্টিয়া সদরের নির্বাচন কর্মকর্তা সামিউল ইসলামকে। ঘটনার সময় তিনি কুমারখালী উপজেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা ছিলেন।

এসব মামলায় দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৮/১০৯ ধারা ছাড়াও ২০১০ সালের ভোটার তালিকা আইন এবং ডিজিটাল নির্বাচন আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার বাদী জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান আরটিভি নিউজকে বলেন, গত বছরের আগস্টে কুষ্টিয়া শহরের এন এস রোডে শত কোটি টাকার সম্পত্তি জালিয়াতি করতে একটি চক্র ৬ জনের এনআইডি জালিয়াতি করে মালিক সাজানো হয়। তারা ওই সম্পত্তি বিক্রি করে দেন। ৩ সেপ্টেম্বর এ নিয়ে ১৮ জনের নামে মামলা হয়। ওই সময় থেকে ঘটনার মূল হোতা ব্যবসায়ী মহিবুল ও যুবলীগ নেতা আশরাফুজ্জামান সুজনসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার হয়। তাদের বিরুদ্ধে মামলার বিচার চলছে। তদন্তে প্রমাণ পাওয়ায় এখন তৎকালীন নির্বাচন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা হলো।

পি

RTV Drama
RTVPLUS