টানা ৩৩ বছর ধরে জনপ্রতিনিধি মশিয়ার আবারও প্রার্থী হয়েছেন

প্রকাশ | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৪:০৮

যশোর প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ
ছবি আরটিভি নিউজ

যশোরের কেশবপুরে টানা ৩৩ বছরের জনপ্রতিনিধি মশিয়ার রহমান আবারও প্রার্থী হয়েছেন।  সপ্তমবারের মতো দুই নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন তিনি।

মশিয়ার রহমান কেশবপুর পৌরসভার ভোগতী নরেন্দ্রপুর ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা।

পেশায় তিনি ব্যবসায়ী। কেশবপুর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এবং কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

শিক্ষাগত দিক দিয়ে তিনি এসএসসি পাশ। ২৮ বছর বয়সে ১৯৮৮ সালে কেশবপুর ছয় নম্বর সদর ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হিসেবে নির্বাচন করে প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হন। তরুণ বয়সে জনপ্রতিনিধি হয়ে জনসাধারণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হন। তার সমকক্ষ কোনও প্রার্থী না থাকায় কেশবপুর সদর ইউনিয়নে ১৯৯১ ও ৯৬ সালেও তিনি ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৮ সালে কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদ পৌরসভায় রূপান্তিত হয় এবং তিনি পৌর প্রসাশকের অধীনে সিলেক্টেড কাউন্সিলর হন।

কেশবপুর পৌরসভা ভোগতী নরেন্দ্রপুর এলাকা নিয়ে দুই নম্বর ওয়ার্ড।

এই ওয়ার্ডের বর্তমান ভোটারের সংখ্যা তিন হাজার ৭৫। ২০০৫ সালে কেশবপুর পৌরসভার প্রথম নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১০ ও ২০১৫ সালেও কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। মশিয়ার রহমানের রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা এবং নির্ধারিত ভোট ব্যাংক। ওই ওয়ার্ডের বয়োবৃদ্ধ ভোটার সামছুর রহমান মোড়ল বলেন, মশিয়ারের চারিত্রিক কোনও ত্রুটি নেই। তার ব্যবহার ভালো। যার কারণে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হলে কখনও ফেল করেন না। পেশায় শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মশিয়ার রহমান একজন ভালো নেতা। তার দ্বারা মানুষের উপকার ছাড়া ক্ষতি হয় না। তার বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতির কোনও অভিযোগ নেই এবং তিনি কখনও কোনও কারণ ছাড়াই মানুষকে হয়রানি করেন না। বিপদ আপদে মানুষ তাকে কাছে পায়। যার কারণে তিনি আমাদের এলাকায় নির্বাচন করে বার বার নির্বাচিত হন।

মশিয়ার রহমান বলেন, মানুষের সেবার ব্রত নিয়ে আমি রাজনীতি করতে এসেছি। আমার ওয়ার্ডের কাজের সময় দল বেদলের কোনও বিবেচনা করি না। জনগণের সেবা করা আমার কর্তব্য মনে করে আমি দীর্ঘ জীবনে কাজ করে আসার কারণে আমি বার বার নির্বাচিত হয়ে আসছি।

এবারও নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে আমি বিপুল ভোটের ব্যবধানে সপ্তমবারের মতো জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হব ইনশাল্লাহ। তবে আমার নির্বাচনী প্রতিপক্ষ বয়সে তরুণ এবং প্রার্থী হিসেবে তিনি প্রথম। তারপরও বড় একটি রাজনৈতিক দলের সমর্থক থাকায় তাকে কোনোভাবে খাটো দেখছি না।

জেবি