logo
  • ঢাকা সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ২৯ চৈত্র ১৪২৭

চৌগাছায় বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা

ধান×বাম্পার×চাষ×বোরো×কৃষক×রোপণ×নির্ধারণ×মিনি×
ছবি আরটিভি নিউজ

যশোরের চৌগাছা উপজেলায় চলতি মৌসুমে ১৮ হাজার ৩শ’ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়েছে। তবে চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এক হাজার হেক্টর বেশি জমিতে এবার চাষ হয়েছে বোরো ধানের।

যা গেলো বছরের তুলনায় অনেক বেশি। ইতোমধ্যে সারা উপজেলার সকল মাঠ জুড়ে বোরো ধানের চারা সবুজ আকার ধারণ করেছে। উপজেলার কৃষকরা এর আগে বছরে দুটি আমন ও আউশ ধানের চাষ করতেন। তবে সময়ের পালা বদলে ধান চাষেরও পরিবর্তন এসেছে। বছরে একই জমিতে তিনটি ফসলের চাষ করছেন কৃষক। গরু লাঙলের পরিবর্তে ব্যবহৃত হচ্ছে কলের লাঙল, জমিতে ধান রোপণ করা হতো হাতে এখন সেটি হচ্ছে মেশিনে। শুধু তাই না ধান কাটা ও ঝাড়াও হচ্ছে মেশিনের মাধ্যমে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে চৌগাছায় ১৭ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। ইতোমধ্যে কৃষক ধান রোপণের কাজ সম্পন্ন করেছেন। তবে শেষ সময়েও এ উপজেলায় চলতি মৌসুমে ১৮ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় বেশি। মাটির গুনাগুন ভেদে এ অঞ্চলে মূলত ২৮, ৫০, ৫১, ও ৮১ জাতের ধান চাষ বেশি হয়।

এর পাশাপাশি কৃষকরা সুভলতা, বাসমতি, সুপার মিনিসহ বেশ কিছু জাতের ধান চাষ করেন।

এ বিষয়ে কথা হয় পেটভরার আব্দুল মাজিদ, আব্দুল গণিসহ আরও অনেকের সাথে। চাষি আব্দুল মাজিদ জানান, চলতি মৌসুমে বিভিন্ন জাতের ২-৩ বিঘা জমিতে তিনি বোরো ধানের চাষ করেছেন। এখন জমিতে পরিমান মতো পানি বেঁধে রাখা আর সময় মতো সার কীটনাশক প্রয়োগের কাজ চলছে। এছাড়া এক বিঘা জমিতে কম করে হলেও ২০ থেকে ২৮ মণ পর্যন্ত ধান পাওয়া যায়।

সূত্র বলছে, ক্ষেতে কৃষককে একসঙ্গে খরচ করতে হয় না, পুরো তিন মাসে অল্প অল্প খরচ হয় আর ধান বাড়িতে আসার পর তা একসঙ্গে বিক্রি করলে অনেক টাকা পাওয়া যায়।

চাষিরা আরও বলেন, বোরো ধানের সব থেকে বড় খরচ হচ্ছে পানি। সেক্ষেত্রে বিঘা প্রতি পানির দর কিছুটা কম হলে কৃষক আরও লাভবান হতেন। চাষিরা মনে করেন চলতি মৌসুমে প্রাকৃতিক কোনও দুর্যোগ দেখা না দিলে বাম্পার ফলন হবে আর বাজার দর যদি ভালো থাকে তাহলে কৃষক বেশ উপকৃত হবে।

জেবি

RTV Drama
RTVPLUS