logo
  • ঢাকা বুধবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২১, ১৩ মাঘ ১৪২৭

‘মুজিবনগর-কলকাতা স্বাধীনতা সড়কের কাজ দ্রুতই শুরু হবে’

এলজিআরডি×মন্ত্রী×মুজিবনগর×স্মৃতি×বাংলাদেশ×
আরটিভি নিউজ
এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেছেন, মুজিবনগর আম্রকানন আমাদের জাতিগতভাবে একটি স্মৃতির জায়গা। অত্যন্ত আবেগের একটি জায়গা। এখানকার স্মৃতি যেমনি সংরক্ষণ করা দরকার তেমনি এই রাস্তা দিয়ে আমাদের প্রথম সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ এসেছিলেন যা স্মৃতি হয়ে আছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই এই রাস্তাটি আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে মেহেরপুরের মুজিবনগরে ঐতিহাসিক স্বাধীনতা সড়ক পরিদর্শনকালে তিনি এ কথাগুলো বলেন।

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল এ সড়ক দিয়ে বাংলাদেশের প্রথম সরকারের মন্ত্রীপরিষদ সদস্যবৃন্দ ভারত থেকে মুজিবনগরে এসে শপথ গ্রহণ করেছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে স্বাধীনতা সড়কটি আগামী মার্চে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্বোধনের কথা রয়েছে। এর মধ্য দিয়ে মুজিবনগরের সঙ্গে কলকাতা সড়কে যাতায়ত শুরু হবে। 

রাস্তাটি মানসম্মতভাবেই উন্নয়ন করতে অচিরেই কাজ শুরু হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরে তারা স্বাধীনতার অনেক স্মৃতিবিজড়িত স্থানকে সমর্থন করেনি। তেমনিভাবে এটাও অবহেলিত ছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যেমনিভাবে সম্মান করা হচ্ছে তেমনিভাবে যুদ্ধকালীন স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোকেও সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

পরিদর্শনকালে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ও মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরহাদ হোসেন বলেন, প্রধামন্ত্রীর প্রতিশ্রুতিতে মুজিবনগরে এক হাজার কোটি টাকার কাজ হবে তার নকশা প্রায় চূড়ান্ত। খুব দ্রুত এটি একনেকে তোলা হবে। আশা করা যায় আগামী বছরের প্রথম দিকে কাজ শুরু হবে। এটি বাস্তবায়ন হলে মুজিবনগর থেকে মুক্তিযুদ্ধের পুরো ইতিহাস দেশ বিদেশের দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরা যাবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ ও আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।

এর আগে ঢাকা থেকে মুজিবনগর পৌঁছে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন এলজিআরডি মন্ত্রী ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।

পরিদর্শন শেষে মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্সে জেলা প্রশাসন আয়োজিত স্বাধীনতা সড়ক (মুজিবনগর-কোলকাতা)বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচন সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

জেবি

RTV Drama
RTVPLUS