Mir cement
logo
  • ঢাকা বুধবার, ১২ মে ২০২১, ২৯ বৈশাখ ১৪২৮

চাঁদপুর প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

  ২৯ ডিসেম্বর ২০২০, ০৯:৪১
আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:১০

তিন সন্তানের মাকে পেতে আদালতে দুই স্বামী

Symbolic image
প্রতীকী ছবি

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে এক নারীকে স্ত্রী বলে দাবি করেছেন দুই ব্যক্তি। এর সমাধান পেতে শেষ পর্যন্ত আদালতের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে সমাধান এসেছে।

সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) আদালতের মাধ্যমে সমাধান হয় এই ঘটনার। ওই নারী ফিরে যান প্রথম স্বামীর ঘরে। আর দ্বিতীয় স্বামীর ঠিকানা হয় জেলহাজতে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লার দাউদকান্দি দক্ষিণ নসিবদী গ্রামের প্রবাসী বিল্লাল হোসেনের সঙ্গে ২০১৩ সালে বিয়ে হয় চাঁদপুর মতলব উত্তরের গালিম গাঁ গ্রামের শাহিদুন আক্তারের (২৩)। তাদের সংসারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে আছে।

কাতার প্রবাসী বিল্লাল হোসেনের অনুপস্থিতিতে স্ত্রী শাহিদুন আক্তার প্রেমের সম্পর্কে জড়ান মো. সাকিবের (২৬) সঙ্গে। এক পর্যায়ে তিন শিশু সন্তান নিয়ে প্রথম স্বামীর ঘরও ছাড়েন। মো. সাকিব (২৬) এর সঙ্গে নতুন সংসার শুরু করেন তিনি।

গত নভেম্বরে এই পরিস্থিতির কারণে কাতার থেকে দেশে ফেরেন বিল্লাল। নিখোঁজ স্ত্রীর সন্ধানে দাউদকান্দি থানায় মামলা করেন। কিন্তু কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না তাকে। অবশেষে গত রোববার শ্বশুর বাড়িতে খোঁজ মেলে স্ত্রী শাহিদুন আক্তারের। সঙ্গে ছিলেন তার ‘দ্বিতীয় স্বামী’ মো. সাকিবও।

এ সময় স্ত্রীকে উদ্ধার করতে মতলব উত্তর থানা পুলিশের সহায়তা চান প্রবাসী বিল্লাল হোসেন। এরপর অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ শাহিদুন আক্তার ও মো. সাকিবকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

তবে সেখানে প্রথম স্বামীর সঙ্গে যেতে বেঁকে বসেন শাহিদুন আক্তার। এরপর কয়েক দফা দুপক্ষকে নিয়ে দেন দরবার করে পুলিশ। কিন্তু তাতেও কোন সমাধান হয়নি। শেষ পর্যন্ত সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে চাঁদপুরের বিচারিক হাকিম মো. হাসানুজ্জামানের আদালতে শাহিদুন আক্তার ও মো. সাকিবকে হাজির করা হয়।

ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় জবানবন্দি দেন শাহিদুন আক্তার। সেখানে সুর পাল্টে এ সময় আদালতকে তিনি জানান, বিয়ে নয়। কুমিল্লার হোমনা উপজেলার চান্দেরচর গ্রামের মো. সাকিবের সঙ্গে মুঠোফোনে সম্পর্ক হওয়ার পর ঢাকায় গিয়েছিলাম। একসঙ্গে বেশকিছু দিন থেকেছিও। এখন সন্তানদের বাবা বিল্লাল হোসেনের সঙ্গে যেতে চাই।

মতলব উত্তর থানার ওসি নাসিরউদ্দিন মৃধা জানান, বিজ্ঞ আদালত শাহিদুন আক্তারের কথায় সন্তুষ্ট হয়ে তাকে মুক্তি দিয়েছেন। তবে ঘটনা মো. সাকিবকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। কারণ মো. সাকিব আদালতে তাদের বিয়ের কোনো প্রমাণপত্র দেখাতে পারেননি।

জিএম/জিএ

RTV Drama
RTVPLUS