logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২১, ১৪ মাঘ ১৪২৭

চুয়াডাঙ্গায় পৃথক হত্যা মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Three people have been sentenced, to life imprisonment in a separate murder, rtv news
ছবি সংগৃহীত
চুয়াডাঙ্গায় পৃথক হত্যা মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে ১০ জনকে।

আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রবিউল ইসলাম ওই দণ্ডাদেশ দেন। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলো, চুয়াডাঙ্গা সিআইডি পুলিশের কনস্টেবল খুলনা দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা গ্রামের আসীম কুমার ভট্টাচার্য, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার কন্দর্পপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেন আনার ও দর্শনা রামনগর গ্রামের জিয়ারুল ওরফে জিয়া।

মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের আট জুন রাতে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার মাদরাসাপাড়ায় সিআইডির কনস্টেবল অসীম কুমার ভট্টাচার্য  ছুরিকাঘাত করে শাশুড়ি শেফালি অধিকারীকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরে নিহতের স্বামী সদানন্দ অধিকারী বাদী হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আলমডাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম ওই বছরের ২৭ জুন একজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট প্রদান করেন। ২৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আসামির উপস্থিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেন।

এদিকে, চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে কন্দর্পপুর গ্রামে জমি-জমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ২০১৮ সালের চার জুলাই দুপুরে আনোয়ার হোসেন আনারসহ বেশ কয়েকজন প্রতিবেশী গিয়াস উদ্দিনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে।পরে নিহতের ভাই বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে জীবননগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম সাতজনকে অভিযুক্ত করে ২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আসামিদের উপস্থিতিতে আনোয়ার হোসেন আনারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অন্য ছয় আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়। অপরদিকে, ২০১২ সালের ১০ ডিসেম্বর রাতে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের রতিরামপুর গ্রামে বাড়ি ফেরার পথে আব্দুর রহিমকে বোমা মেরে ও কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ওই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে জীবননগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে অভিযান চালিয়ে জিয়ারুল ওরফে জিয়াকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

২০১৪ সালের ৩১ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। অভিযুক্ত জিয়ারুল ওরফে জিয়াকে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অন্য চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়। রায় ঘোষণার পর দণ্ডিতদের জেলা কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

জেবি

RTV Drama
RTVPLUS