logo
  • ঢাকা শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭

আসামিরাও ধরা পড়ছে না, নিরাপত্তাহীনতায় কালুর পরিবার

The accused are also, not being caught, rtv news
নিহত কালু গাইন

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বরগুনার ঘটবাড়িয়া গ্রামের কালু গাইন হত্যা মামলার প্রধান আসামিরা ধরা না পরায় ভুক্তভোগী পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।

কালু গাইন তার অন্য ভাইদের নিয়ে গেলো ৯ অক্টোবর সকালে জমিতে কৃষি কাজ করতে যায়। সেখানে প্রতিপক্ষ মজিবর ও তার পরিবারের লোকজনের সঙ্গে বিরোধের একপর্যায় তাদের হামলায় গুরুতর জখম হন। চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের ভর্তি করা হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। কালু গাইন সদর উপজেলার কেওরাবুনিয় ইউনিয়নের ঘটবাড়িয়া গ্রামের মৃত নসাই চন্দ্র গাইনের মেঝ ছেলে।

মঙ্গলবার রাতে বরগুনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিহত কালু গাইনের বড়ভাই পরিমল গাইন অভিযোগ করে বলেন, মজিবর আমাদের পূর্ব পূরুষ প্রতিষ্ঠিত জয় কালী মন্দিরের পাশের জমি ক্রয় করে। এর কিছুদিন পর সে বলপূর্বক মন্দিরটি ভেঙে জমি বেদখল করে। এ নিয়ে আমরা সিনিয়র জজ আদালতে একটি মামলা করি।

এরপর প্রতিপক্ষ আমাদের ঘায়েল করার জন্য নানাভাবে ফন্দি আটতে থাকে।

এরই ধারাবাহিকতায় গেলো ৯ অক্টোবার সকাল সাড়ে সাতটায় আমরা আমাদের অন্য জমিতে কৃষি কাজ করতে যাই। এ সময় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মজিবর আমার বংশীয় কয়েক জনসহ তার লোকজন নিয়ে আমাদের সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে আমার মেঝ ভাই কালু গাইনকে হত্যার উদ্দেশে আকস্মিকভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করে।

আহত অবস্থায় তাকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তার অবস্থার অবনতি হলে ডাক্তার তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এই ঘটনায় বরগুনা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সি,আর মামলা করি। যার নম্বর ৩৯৮/২০২০। এই মামলায় আমার ভাই কালু গাইনকে এক নম্বর সাক্ষী করা হয়। পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেলে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্য হলে মামলাটি হত্যা মামলায় রুপান্তরিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, মামলার ১২ আসামির মধ্যে আট নম্বর আসামি সত্য চরণ (৪০) ধরা পড়লেও মামলার প্রধান আসামি মজিবরসহ অন্য আসামিরা এখনও ধরা পরেনি। তারা বাইরে থাকায় আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। প্রধান আসামি মজিবরের এক আত্মীয় পুলিশের কর্মকর্তা হওয়ায় আসামিরা প্রভাব বিস্তার করে ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে বলে আমরা মনে করি। এ অবস্থায় আমরা আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ প্রশাসনকে আন্তরিক হওয়ার অনুরোধ করছি।

এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পুলিশ ইনস্পেক্টর (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম আরটিভি নিউজকে বলেন, মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করার জন্য চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

জেবি

RTV Drama
RTVPLUS