logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

টাঙ্গাইলে জমি কিনতে না পেরে প্রতিপক্ষকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ!

Injured old man
আহত বৃদ্ধ
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের কুইজবাড়ী গ্রামে জমি কিনতে না পাড়ার ক্ষোভে প্রতিপক্ষের এক বৃদ্ধকে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় হত্যা চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

রোববার (২২ নভেম্বর) টাঙ্গাইলের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। 

আহত শুকুর মামুদকে (৬৫) গুরুত্বর আহতাবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

জানা যায়,  কুইজবাড়ী গ্রামের আ. রশিদ ও মোন্তাজ পৈত্রিকসূত্রে পাওয়া ৯ শতাংশ আবাদি জমি প্রতিবেশী শুকুর মামুদের ছেলে মো. বেল্লাল হোসেনের কাছে বিক্রি করেন। ওই জমিটি তাদের চাচাত ভাই মো. হাসমত আলী কিনতে না পেরে ক্ষুব্ধ হন।

ওই ক্ষোভের জের ধরে গত ১৮ নভেম্বর জমি দেখতে গেলে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী মো. হাসমত আলী তার ছেলে সম্রাটকে নিয়ে দ্রুতগামী মোটরসাইকেল দিয়ে বৃদ্ধাকে ধাক্কা দেয়া হয়। এতে গুরুতর আহত হন। 

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে শুকুর মামুদের ছেলে মো. আলাল মিয়া বাদী হয়ে মো. হাসমত আলী ও তার ছেলে সম্রাটকে অভিযুক্ত করে টাঙ্গাইলের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। 

সাবেক ইউপি সদস্য ফরহাদ আলী, শিক্ষক মিজানুর রহমান সহ অনেকেই জানান, মো. হাসমত আলী এলাকায় একজন সুদখোর হিসেবে পরিচিত। চাচাত ভাইয়ের জমি কিনতে না পাড়ার ক্ষোভে শুকুর মামুদকে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় গুরুতর আহত করে। পরে তারা বিষয়টি দুর্ঘটনা বলে চালানোর চেষ্টা করেন।

মামলার বাদী মো. আলাল মিয়া জানান, হাসমত বা তার ছেলে সম্রাটের মোটরসাইকেল চালানোর কোন লাইসেন্স নাই। পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে হাসমত তার ছেলে সম্রাটকে নিয়ে মোটরসাইকেল চাপায় তার বাবাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল। 

অভিযুক্ত মো. হাসমত আলী জানান, শুকুর মামুদ কানে কম শোনেন ও চোখে কম দেখেন এ কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। জমি কেনায় ক্ষোভ আছে তবে তাকে হত্যা করার কোন উদ্দেশ্য  নেই। এটা নিছক দুর্ঘটনা।

মগড়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আজাহার আলী মিয়া জানান, মো. হাসমত আলী সুদের কারবারি এটা ঠিক। চাচাত ভাইয়ের জমি কিনতে না পাড়ায় ক্ষুব্ধ এটাও ঠিক। তবে কি কারণে ওই ঘটনা ঘটেছে তা জানি না।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইন-চার্জ(ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, এ বিষয়ে আদালতে দায়েরকৃত মামলা তদন্তের জন্য থানায় পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো যাবে।

জিএম/জিএ 

RTVPLUS