logo
  • ঢাকা রোববার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

কুয়াশার মাঝে কদর বেড়েছে শীতের পিঠার 

কুয়াশার মাঝে কদর বেড়েছে শীতের পিঠার 
শীতের পিঠা
দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে উত্তরের হিমেল হওয়ার ফলে শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে। সূর্যাস্তের পর থেকে সূর্যোদয়ের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত হালকা কুয়াশা ও বাতাস জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। হালকা শীত ও কুয়াশা পড়ায় দিন দিন শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে ফলে এ জেলার মানুষ ঘরে কিংবা বাইরে গরম কাপড় ব্যবহার করছে। 

প্রতি বছর শীতের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে উত্তরে এ জেলার ৫ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বা ফুটপাতে গড়ে ওঠে পিঠার দোকান। কেউ সকালে আবার কেউ বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় দোকান বসিয়ে পিঠা বিক্রি করে। আর এ পিঠা বিক্রি করে যা আয় হয় তা দিয়ে তারা জীবিকা নির্বাহ করছেন।

শুক্রবার (২০ নভেম্বর) বিকেলে জেলার বিভিন্ন হাটবাজার ও ফুটপাতে এখন শীতের ভ্রাম্যমাণ পিঠার দোকান দেখা যায়।  এবং এসময় পিঠার দোকানে পিঠার স্বাদ নিতে ভিড় জমাচ্ছে নানান বয়সী মানুষ। 

জানা যায়, শীতকাল আসলেই কিছু মানুষ এভাবে ছোট ভ্রাম্যমাণ দোকান নিয়ে বসেন। সব থেকে চাহিদা বলে এ জেলায় বেশির ভাগ দোকানে ভাপা ও চিতই পিঠা তৈরি করা হয়। এছাড়াও পাশাপাশি বিভিন্ন দোকানে নারিকেল, নুন হাঁস, দুধ পিঠা, তেল পিঠাসহ বিভিন্ন রকমে পিঠা পাওয়া যায়। আর এমন পিঠার দোকান পেয়ে কেউ পরিবার নিয়ে আবার কেউ বন্ধুদের নিয়ে খান। প্রতি পিস পিঠা বিক্রি হচ্ছে ৫ টাকা থেকে ১০ টাকা দরে।  
জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর বাজারের পিঠা বিক্রেতা আমিনার রহমান আমিন জানান, আমি প্রতি বছর শীতকালে পিঠা বিক্রি করি। পিঠা বিক্রি করে যা পাই তা দিয়ে আমার সংসার চলে।  

আরেক বিক্রেতা আসির আলী জানান, শীতকালে পিঠার চাহিদা থাকায় আমি এসময় পিঠা বিক্রি করি।

পঞ্চগড় জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক আবু তোয়াবুর রহমান জানান, পিঠা হলো আমাদের বাঙালি ঐতিহ্যের একটি খাবার। শীতকাল আসলেই বিভিন্ন হাট-বাজারে পিঠার দোকান বসে। আর এমন দৃশ্য দেখলে অনেক ভালো লাগে। পিঠা বিক্রি করে অনেকে জীবিকা নির্বাহ করে।

জিএম/এসএস

RTVPLUS