শ্লীলতাহানির চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে প্রতিবন্ধী কিশোরীর পা ভাঙলো বখাটেরা

প্রকাশ | ০৮ নভেম্বর ২০২০, ১৭:০৬ | আপডেট: ০৮ নভেম্বর ২০২০, ১৭:৩৭

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ
ময়মনসিংহের মানচিত্র

বখাটেদের নির্মম নির্যাতনে পঙ্গু হয়ে প্রায় দেড় মাস ধরে শয্যাশায়ী এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরী। ঘটনাটি ঘটেছে গফরগাঁও উপজেলার বারবাড়ীয়া ইউনিয়নের পাকাটি গ্রামে। 

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, গত ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে উপজেলার বারবাড়ীয়া ইউনিয়নের পাকাটি গ্রামে কিশোরী তানিয়া (১৭) একই গ্রামে তার নানার বাড়ি যাবার সময় তাকে একা পেয়ে রিকশাচালকসহ চার বখাটে তরুণ শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে।

মেয়েটির পিতা তাফাজ্জল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, সেদিন সকালে তানিয়াকে একা পেয়ে শ্লীলতাহানি করতে না পেরে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে তার বাম পা ভেঙে দেয়। পরে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

সেখান থেকে পরবর্তীতে ময়মনসিংহ মহানগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। পরিবারটির দাবি, পায়ে ইনফেকশন হওয়ায় তানিয়ার বাম পা কেটে ফেলতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে না পেরে হাসপাতাল থেকে মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে আসেন তারা।

এই ঘটনায় গফরগাঁও থানায় ওই চার বখাটের নামে মামলা করেছে তানিয়ার বাবা।

আসামিরা হলেন, গফরগাঁও উপজেলার বারবাড়ীয়া গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে সোহাগ, চিলাকান্দা গ্রামের মকবুলের ছেলে বিপ্লব, আব্দুল মতিনের ছেলে নাজমুল ও আজিজুল হকের ছেলে বাবু মিয়া।   

ভুক্তভোগী পরিবারটি আরও অভিযোগ করে বলেন, মামলা হলেও গ্রেপ্তার হবার আগেই আদালত থেকে আগাম জামিন নিয়ে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে আসামিরা। 

এ বিষয়ে গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অনুকূল সরকার জানান, ২৭ সেপ্টেম্বর তানিয়ার বাবা বাদী হয়ে মারামারির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছিলেন। আসামিরা বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। 

তবে বাদীপক্ষের কেউ পরবর্তীতে আর যোগাযোগ করেননি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন, শ্লীলতাহানি কিংবা ধর্ষণচেষ্টার কোনো অভিযোগ জানাননি। এ ধরনের অভিযোগ পেলে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জিএম/পি