‘শুরুতে চাল দিলে ভাত খেয়ে বাঁচতে পারতাম’ (ভিডিও)

প্রকাশ | ০১ নভেম্বর ২০২০, ২১:৩০ | আপডেট: ০১ নভেম্বর ২০২০, ২১:৫১

দীপ্ত চন্দ্র পাল, আরটিভি নিউজ
ভুক্তভোগী জেলে পরিবারের সদস্যরা

ইলিশ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হতে চললেও এখনও সরকারি খাদ্য সহায়তা পায়নি পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার জেলেরা। ফলে জেলে পরিবারগুলোতে চলছে খাদ্য সঙ্কট। দ্রুত সহায়তার দাবি জানিয়েছে হতদরিদ্র জেলেরা। 
সমুদ্রঘেঁষা কলাপাড়া উপজেলার মৎস্য বন্দর আলীপুর-মহিপুর, লতাচাপলী, ধুলাসার, নীলগঞ্জ ও লালুয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে সরকারের নিবন্ধনকৃত ১৮ হাজার ৩০০ জেলে রয়েছে।

মাছ ধরায় ২২ দিনের অবরোধ ৪ নভেম্বর শেষ হতে চললেও সরকারের বরাদ্দকৃত ২০ কেজি চালের খাদ্য সহায়তা পায়নি বেশিরভাগ জেলে পরিবার। ফলে ধার-দেনা করে কোনো রকমে সংসার চলছে তাদের।

ভুক্তভোগী জেলে পরিবারের সদস্যরা বলেন, আমাদের জেলে কার্ড করেছে কিন্তু চাল দেয়নি। অনেক কষ্ট করে সংসার চালাচ্ছি। অবরোধ শুরু হওয়ার সাথে সাথে যদি চাল গুলো দিতো তাহলে ভাত খেয়ে বাঁচতে পারতাম। এখন পর্যন্ত জেলে কার্ডের চাল পায়নি খুব কষ্টে আছি। 

ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার অজুহাত, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের কারণে খাদ্য সহায়তা দিতে দেরি হচ্ছে। পাশাপাশি এতদিন চালও ছিল না খাদ্য গুদামে।

কলাপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শওকত হোসেন তপন বলেন, গোডাউনে চাল না থাকার কারণে আমরা সময় মতো চাল দিতে পারিনি। জেলেরা আসলেই কষ্টে আছে। তবে এখন আর সমস্যা নেই। দু’একদিনের মধ্যে চাল দিতে পারবো। 
কলাপাড়া উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন নবি বলেন, এখানে একটি নির্বাচন ছিল। সেই কারণে চেয়ারম্যান ব্যস্ত ছিল এবং চালের সংকট থাকার কারণে দিতে পারিনি। তবে এখন চালের সংকট নেই।

জেলেদের বাঁচাতে এবং ইলিশ উৎপাদনের ধারাবাহিক সফলতা নিশ্চিতে দ্রুত সমস্যার সমাধানের দাবি ভুক্তভোগীদের।
জিএম/পি