চলতি বছরে ৫৮৫ ডেঙ্গু আক্রান্ত, রোগী বাড়ছে

প্রকাশ | ২৭ অক্টোবর ২০২০, ১৯:০৩ | আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২০, ১৯:২৩

আরটিভি নিউজ
ডেঙ্গু

করোনা মহামারীর সঙ্গে নতুন আতঙ্ক যোগ হয়েছে ডেঙ্গু জ্বর। গত এক সপ্তাহে সারা দেশে ৫২ জনের ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে। চলতি বছরে ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে এপর্যন্ত ৫৮৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ডা. বোরহান উদ্দিন আরটিভি নিউজকে বলেন, চলতি মাসে ১২১ জন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এবার করোনা আতঙ্ক ও বৃষ্টি কম হওয়ায় ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে কম এসেছেন। তবে গত এক সপ্তাহে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। সামনে শীতের মৌসুম আসছে ডেঙ্গু রোগী খুব একটা বাড়ার সম্ভাবনা নেই।

ডা. বোরহান উদ্দিন বলেন, হাসপাতালে এলে করোনা আক্রান্ত হতে পারেন। এই ভয়ে এবার মানুষের জ্বর হলেও চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসেননি।

জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। রাজধানীর বাইরে ৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি মাসে হাসপাতালে ভর্তি মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২১ জনে।

সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় (২৬ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে ২৭ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত) নতুন করে আরও নয়জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন দুজন এবং বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সাতজন।

এ নিয়ে বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ২৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি আছে। তাদের মধ্যে বিজিবি সদর দফতরে হাসপাতালে তিনজন, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে দুজন এবং বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ২০ জন রয়েছেন।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ১৯৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তির পর এটাই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার রেকর্ড। এছাড়া ফেব্রুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যথাক্রমে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৪৫, ২৭, ২৫, ১০, ২০, ২৩, ৬৮ ও ৪৭ জন।

রাজধানীতে গত কয়েক দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ার কারণে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বেড়েছে। অনেকেই জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের আউটডোর কিংবা চিকিৎসকের চেম্বারে যাচ্ছেন। করোনাভাইরাস সংক্রমণের এ সময়ে নতুন করে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি নগরবাসীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

এফএ