logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

ভাঙ্গায় ইউএনওর গুলি টেস্টিং, এলাকায় আতঙ্ক

ভাঙ্গায় ইউএনওর গুলি টেস্টিং, এলাকায় আতঙ্ক
ফাইল ছবি
নিজের নিরাপত্তার জন্য কেনা নতুন শটগান কিনে সেটি ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সরকারি বাসভবনের পুকুরে টেস্টিং ফায়ারিং করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রকিবুর রহমান খান। রাতে ইউএনওর ভবনের কাছে গুলির শব্দ শুনে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ ভাঙ্গা থানায় জিডি করেছেন। গত রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে গুলি ছোড়ার এ ঘটনা ঘটেছে।

ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রকিবুর রহমান খান জানান, দুইদিন আগে তিনি ঢাকার একটি অস্ত্রের দোকান থেকে ওই শটগানটি কিনেছিলেন। কিন্তু ওই দোকানে টেস্টিং ফায়ারের জায়গা না থাকায় কেনার সময় টেস্টিং করা হয়নি। এজন্য তিনি নিজে গত রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার সরকারি ভবনের পুকুরের দিকে চারটি টেস্টিং ফায়ার করেন।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুর রহমান বলেন, গত রবিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইউএনওর সরকারি বাস ভবন এলাকা থেকে পর পর চারটি গুলির শব্দ শোনা যায়। এ শব্দে এলাকাবাসীর মনে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। সাথে সাথে থানার এসআই শওকত হোসেনকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।

এসআই শওকত হোসেন বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে ইউএনও সঙ্গে দেখা ও কথা বলতে পারেননি। তবে তার সাথে কথা হয় ইউএনওর বাড়ির নিরাপত্তায় নিয়োজিত অস্ত্রধারী আনসার সদস্য মো. আমিনুর রহমানের সঙ্গে। আমিনুর রহমান তাকে জানায়, ইউএনও দুইদিন আগে নিজের কেনা শটগান থেকে বাড়ির পুকুর পাড়ে গিয়ে পুকুরের পানিতে চারটি গুলি ছুড়েন টেস্টিং ফায়ারের জন্য।

এসআই শওকত হোসেন আরও বলেন, এ ব্যাপারে ভাঙ্গা থানায় তিনি নিজে বাদী হয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো. রকিবুর রহমান খান জানান, আমি নতুন শটগান কিনেছি। তা পরীক্ষার জন্য পাঁচটি পর্যন্ত গুলি ব্যবহার করতে পারি। কিন্তু আমি চারটি গুলি ছুড়েছি পুকুরে। স্বরাষ্ট্র-মন্ত্রণালয়ের আইনে দেয়া আছে, নতুন শটগান কিনলে টেস্ট করার জন্য ফাঁকা গুলি ছুড়তে পারি। আমি আইনের বাইরে গিয়ে কিছু করিনি।

জিএম/এসএস

RTVPLUS