smc
logo
  • ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ১১ কার্তিক ১৪২৭

সাংবাদিক ইলিয়াস হত্যার বিচার চাইলো পরিবার

  আরটিভি নিউজ রিপোর্ট

|  ১৫ অক্টোবর ২০২০, ১৯:৪৪
family demanded justice for the murder of journalist Elias
সংগৃহীত
নারায়ণগঞ্জে বন্দর উপজেলার জিওধরা গ্রামের স্থানীয় সাংবাদিক ইলিয়াসের হত্যাকারীদের ফাঁসি দাবি করেছে পরিবার। গ্যাসের অবৈধ সংযোগ ও মাদকচক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে তাকে করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হত্যার শিকার সাংবাদিকের পরিবার।

পরিবারের পক্ষ থেকে ইলিয়াসের বৃদ্ধা মা, স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তান প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুষ্ঠু বিচার চেয়ে আকুতি জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানায় ইলিয়াসের পরিবার।

ইলিয়াসের স্ত্রী বলেন, থানায় মামলা হলেও মামলাকে ভিন্নখাতে নিতে চেষ্টা করছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র। এ অবস্থায় মামলার সুষ্ঠ তদন্ত ও সাংবাদিক হত্যার ন্যায় বিচার দাবি করছি। দুজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার না করায় তারা বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে।

লিখিত বক্তব্যে জুলেখা বেগম বলেন, তার স্বামী ইলিয়াস হোসেন দৈনিক স্বদেশ আমার পত্রিকার বন্দর প্রতিনিধি ছিলেন। এর আগে তিনি স্থানীয় বিজয় পত্রিকাতে বন্দর প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। একসময় সৌদি প্রবাসী ও পরে এলাকায় ফিরে মাদকের কারবারি ও চোরাই গ্যাস সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণকারী মাসুদ প্রধান ও তার ভাইয়ের মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে স্থানীয়রা অতিষ্ঠ ছিল। স্থানীয়দের অনুরোধে প্রায় ৩ মাস আগে মাসুদ প্রধান গংদের চোরাই গ্যাস সিন্ডিকেট ও মাদক কারবার বিষয়ে একটি প্রতিবেদন লেখেন।

তিনি বলেন, প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর মাসুদ ও তার সহযোগীরা আমার স্বামীকে হুমকি-ধমকি এবং টর্চারসেলে ধরে নিয়ে নির্যাতন করে। বিষয়টি পত্রিকার সম্পাদক মো. সেন্টুকে জানালে তিনি বিষয়টি মীমাংসার আশ্বাস দেন এবং থানায় জিডি বা মামলা করা থেকে বিরত রাখেন। সেন্টু কৌশলে মাসুদের কাছ থেকে কিছু আর্থিক সুবিধা নিয়ে তার পক্ষ নিয়ে কাজ করে।

গত ১১ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে ইলিয়াস জিওধরা বাজার থেকে রুস্তপুরগামী রাস্তার প্রবেশমুখ দিয়ে বাসা ফেরার সময় মাসুদের লোকজন তার ওপর হামলা করে। তারা সাংবাদিক ইলিয়াসকে এলোপাথাড়ি মারধর ও ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে লোকজন এগিয়ে এ ইলিয়াসকে উদ্ধার করে স্থানীয় ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় আমি স্থানীয় মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসী আদমদপুরের জামালের ছেলে তুষার (২৮) ও হাসনাত আহমেদ তুর্জয়, জিগুধরার নূরুল মিয়ার ছেলে মাসুদ (৩৬), আবদুল বাতেনের ছেলে সাগর (২৬), ফালানের ছেলে পাভেল (২৫), হামিদ মিয়ার ছেলে হযরত আলী (৫০), মিছির আলী (৫৩) ও মিনাসহ (৬০) অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করি।

মামলার পর স্থানীয় একটি চক্র মূল আসামিদের বাঁচাতে মামলাটি ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তারা পুলিশকেও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে আমার আত্মীয় স্বজনের বিরুদ্ধে খেপিয়ে তুলছে। মাদক কারবারিদের বাঁচাতে নানামুখী তৎপরতার কারণে হত্যা মামলাটির সঠিক তদন্ত নিয়ে আমাদের মধ্যে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

RTVPLUS
bangal
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ৩৯৪৮২৭ ৩১০৫৩২ ৫৭৪৭
বিশ্ব ৪,১৫,৭০,৮৩১ ৩,০৯,৫৮,৫৪৬ ১১,৩৭,৭০৩
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • দেশজুড়ে এর সর্বশেষ
  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়