smc
logo
  • ঢাকা রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ১০ কার্তিক ১৪২৭

যমুনার পানি কমতেই দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙন

  টাঙ্গাইল প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

|  ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৪:৫০ | আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৫:২৬
The water, level in the Jamuna, rtv news
টাঙ্গাইলে যমুনার গর্ভে বিলীন হচ্ছে বাড়ি-ঘর
টাঙ্গাইলের যমুনা নদীতে পানি কমার শুরুতেই তীব্র ভাঙনের কবলে পড়েছে টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার চর পৌলী, কাকুয়া, হগড়া গয়রাগাছা, চকগোপাল, কাতুলি ও মাহমুদনগর ইউনিয়নের বাড়িসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম। গেলো এক সপ্তাহে মসজিদ মাদরাসাসহ প্রায় শতাধিক ঘর-বাড়ি বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এ অবস্থায় দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছে ভাঙনকবলিতরা। স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

মাহমুদনগর ইউনিয়নের স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের চাপে বর্ষার ভাঙনে কিছু জিও ব্যাগ ফেলা হলেও যুগের পর যুগ ধরে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের কথা বলা হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। যার ফলে প্রতিবছর তাদের এই ভাঙনের শিকার হতে হচ্ছে। ভাঙনের এ রূপ অব্যাহত থাকলে একদিন টাঙ্গাইল জেলার মানচিত্র থেকে এ ইউনিয়নটি বিলীন হয়ে যাবে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা। 

কাকুয়া ইউনিয়নের নুরু ডা. আরটিভি নিউজকে বলেন, আমার বাবার প্রায় ৮০ বিঘা জমি ছিল। যমুনা নদীর ভাঙনে আমাদের কিছুই রইলো না। ছোট সময় থেকে শুনে আসতেছি এই নদীতে বাঁধ হবে,এখন তো আমাদের সব শেষ আর বাঁধ দিয়ে কী হবে।

আবু তালেব আরটিভি নিউজকে বলেন, ভাঙনের তীব্রতা এতো বেশি যে ঘর-বাড়ি সরিয়ে নেয়ার সময়ও পাচ্ছি না। সরকারের এই মুহূর্তে আমাদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়ানো উচিত।

কাকুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ আরটিভি নিউজকে বলেন, বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও যমুনা নদীর ভাঙনের শিকার হচ্ছে এ ইউনিয়নের মানুষ। গেলো সাত দিন হলো প্রায় প্রতিদিনই নতুন নতুন ঘর-বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। সেইসঙ্গে  ভেঙে গেছে আমার ইউনিয়নের শতাব্দী প্রাচীন চরপৌলী এলাকার একটি মসজিদ, মাদরাসাসহ কবরস্থান। এমন ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে মানুষজন।

মাহমুদনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো.মাজেদুর রহমান তালুকদার আরটিভি নিউজকে বলেন, ভাঙনকবলিত মানুষ ঘর-বাড়ি ও ফসলি জমি হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। তবে এখনও পর্যন্ত ভাঙন প্রতিরোধে কোনও প্রকার ব্যবস্থা নেয়নি পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে এরপরও তারা বলছে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের কথা।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম আরটিভি নিউজকে  বলেন, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে এই অঞ্চলের মানুষকে যমুনা নদীর ভাঙন থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন 

জেবি/এম 

RTVPLUS
bangal
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ৩৯৪৮২৭ ৩১০৫৩২ ৫৭৪৭
বিশ্ব ৪,১৫,৭০,৮৩১ ৩,০৯,৫৮,৫৪৬ ১১,৩৭,৭০৩
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • দেশজুড়ে এর সর্বশেষ
  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়