লুঙ্গি পরেও গ্রেপ্তার এড়াতে পারেননি মাহফুজুর

প্রকাশ | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:২৬ | আপডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৩:৪১

আরটিভি নিউজ
মাহফুজুর রহমান মাসুম

সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রবাসে নববধূ গণধর্ষণ মামলার পাঁচ নম্বর আসামি ছাত্রলীগ নেতা মাহফুজুর রহমান মাসুম লুঙ্গি পরেও পুলিশের চোখ এড়াতে পারেননি।

জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার এড়াতে মাসুম লুঙ্গি পরে খালি পায়ে জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুরে ঘোরাফেরা করছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যে খবর পেয়ে সোমবার রাত ১২টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুদ্দোহা বলেন, মাসুমকে মঙ্গলবার মহানগরের শাহপরান থানায় হস্তান্তর করার পর আদালতে হাজির করা হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, পলাতক আসামি মাহফুজুর ও তারেককে ধরতে তৎপর ছিল পুলিশের একাধিক দল। এর সঙ্গে গোয়েন্দা তৎপরতাও ছিল। জৈন্তাপুর এলাকায় আছেন এমন তথ্যে গোয়েন্দা পুলিশ হরিপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।

এ সময় মাহফুজুরের পরনে লুঙ্গি ছিল। তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে এই বেশ ধরেছিলেন। তবে সে কোথায় যেতে চেয়েছিল। এ বিষয়ে কিছু বলেননি ওসি।

মাহফুজুর রহমান এমসি কলেজের ইংরেজি বিভাগের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। ছাত্রাবাসে গণধর্ষণকাণ্ডে ছয়জন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর মধ্যে তিনিই একমাত্র নিয়মিত ছাত্র। তার নামে ছাত্রাবাসে সিটিও বরাদ্দ ছিল।

মাহফুজুরের বাড়ি সিলেটের সীমান্ত উপজেলা কানাইঘাটের দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের লামা-দলইকান্দি গ্রামে।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন এক তরুণী। রাত সাড়ে ৮টার দিকে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

এ ঘটনায় তরুণীর স্বামীর দায়ের করা মামলায় আসামিরা হলেন- সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার উমেদনগরের রফিকুল ইসলামের ছেলে তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮), হবিগঞ্জ সদরের বাগুনীপাড়ার মো. জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), জকিগঞ্জের আটগ্রামের কানু লস্করের ছেলে অর্জুন লস্কর (২৫), দিরাই উপজেলার বড়নগদীপুর (জগদল) গ্রামের রবিউল ইসলাম (২৫) ও কানাইঘাটের গাছবাড়ি গ্রামের মাহফুজুর রহমান মাসুম (২৫)। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও তিনজনকে আসামি করা হয়।

জেবি/এম